রাজশাহী প্রতিনিধি

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় পুঠিয়া পৌরসভার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদের বারান্দায় ঈদের বিশেষ জামাত হয়।
নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ মো. সাজিরুল ইসলাম। জামাতে মোট ২৩ জন অংশ নেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু ছিল। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালনের কারণ ব্যাখ্যা করে ইমাম সাজিরুল ইসলাম বলেন, “আমরা মূলত ইসলামের সঠিক নিয়ম অনুসরণের লক্ষ্যেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখার খবরের ওপর ভিত্তি করে ঈদ পালন করছি। যেহেতু সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, সেখানে ঈদ হচ্ছে, তাই আমরাও সুন্নাহ অনুসরণ করে নামাজ আদায় করলাম।”
দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শনিবার পালিত হবে ঈদুল ফিতর। তবে আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ভিত্তিতে এবং দীর্ঘদিনের স্থানীয় ঐতিহ্য মেনে দেশের বেশ কিছু জেলায় নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মানুষ এক দিন আগেই ঈদ পালন করেন।
জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “চাঁদ উঠলে রোজা রাখতে হয় এবং চাঁদ দেখলে ঈদ করতে হয়, এটাই ইসলামের বিধান।”
মিন্টু আলী বলেন, “আমরা কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাই না, বরং বিশ্বাস করি যে চাঁদ দেখার মাধ্যমেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ সম্পন্ন হয়।”
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা সংবাদ পেয়েছি যে পুঠিয়া পৌরসভার কৃষ্ণপুর এলাকায় একটি ছোট জনগোষ্ঠী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তারা প্রতি বছরই এভাবে নামাজ আদায় করে থাকেন। শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পুলিশি নজরদারি ছিল। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নামাজ শেষ হয়েছে এবং ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় পুঠিয়া পৌরসভার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদের বারান্দায় ঈদের বিশেষ জামাত হয়।
নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ মো. সাজিরুল ইসলাম। জামাতে মোট ২৩ জন অংশ নেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু ছিল। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালনের কারণ ব্যাখ্যা করে ইমাম সাজিরুল ইসলাম বলেন, “আমরা মূলত ইসলামের সঠিক নিয়ম অনুসরণের লক্ষ্যেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখার খবরের ওপর ভিত্তি করে ঈদ পালন করছি। যেহেতু সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, সেখানে ঈদ হচ্ছে, তাই আমরাও সুন্নাহ অনুসরণ করে নামাজ আদায় করলাম।”
দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শনিবার পালিত হবে ঈদুল ফিতর। তবে আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ভিত্তিতে এবং দীর্ঘদিনের স্থানীয় ঐতিহ্য মেনে দেশের বেশ কিছু জেলায় নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মানুষ এক দিন আগেই ঈদ পালন করেন।
জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “চাঁদ উঠলে রোজা রাখতে হয় এবং চাঁদ দেখলে ঈদ করতে হয়, এটাই ইসলামের বিধান।”
মিন্টু আলী বলেন, “আমরা কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাই না, বরং বিশ্বাস করি যে চাঁদ দেখার মাধ্যমেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ সম্পন্ন হয়।”
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা সংবাদ পেয়েছি যে পুঠিয়া পৌরসভার কৃষ্ণপুর এলাকায় একটি ছোট জনগোষ্ঠী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তারা প্রতি বছরই এভাবে নামাজ আদায় করে থাকেন। শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পুলিশি নজরদারি ছিল। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নামাজ শেষ হয়েছে এবং ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”

হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।