Advertisement Banner

ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর: পানি অধিকার নিশ্চিতে নাগরিক সমাজের ১০ দাবি

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর: পানি অধিকার নিশ্চিতে নাগরিক সমাজের ১০ দাবি
ছবি: সংগৃহীত

ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর উপলক্ষে অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা ও নদী রক্ষার দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে নাগরিক সমাজ। আজ শনিবার সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টনে বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে ১০ দফা দাবি তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা। তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা বেড়েছে, নদী শুকিয়ে যাচ্ছে এবং কৃষি ও জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে।

বক্তারা বলেন, পানি কেবল পরিবেশের বিষয় নয়; এটি মানুষের জীবন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই পানি অধিকারকে রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত করার দাবি জানান তারা।

সাংবাদিক আবু সাঈদ খান বলেন, ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশ ও ভারতের কারও জন্যই সুফল বয়ে আনেনি। তিনি গঙ্গা পানি চুক্তির নবায়ন, তিস্তা চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আন্তঃসীমান্ত নদীর ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের দাবি জানান।

রিভারাইন পিপলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, নদী নিয়ে দ্বিপক্ষীয় নয়, অববাহিকাভিত্তিক আঞ্চলিক চুক্তি প্রয়োজন। এতে ভুটান ও নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

কাজল দেবনাথ, জাকির হোসেন, মোসা. সুলতানা বেগম, রঞ্জন কর্মকার, হুমায়ুন কবির সুমন ও গবেষক পাভেল পার্থসহ বিভিন্ন বক্তা বলেন, নদীকে কেবল কিউসেক সংখ্যায় বিচার করা যায় না, এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত একটি জীবন্ত সত্তা।

মানববন্ধনে ১৬ মে ‘জাতীয় পানি অধিকার দিবস’ ঘোষণা, গঙ্গা-তিস্তা সহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত, গঙ্গা পানি চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ সংযোজন এবং বড় প্রকল্প গ্রহণের আগে জনপরামর্শ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

সম্পর্কিত