চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসার বিষয়টি ‘ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনা’ করছে ইরান। আজ সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। মূলত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারে পাকিস্তানের বিশেষ উদ্যোগের পরই তেহরানের সুরে এই নমনীয়তা দেখা গেছে।
গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। তবে কখন এই যুদ্ধবিরতি শেষ হবে, সে ব্যাপারে কিছু বলেননি। পাকিস্তানের একটি সূত্র বলছে, এই সময়সীমা মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৮টায় শেষ হতে যাচ্ছে (যা ইরানি সময় অনুযায়ী বুধবার ভোর সাড়ে ৩টা)।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। যদিও ইতিপূর্বে ইরান এই আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল এবং মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল। তবে বর্তমানে সেই অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই শান্তি আলোচনার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, মার্কিন নৌ-অবরোধ শান্তি আলোচনার পথে প্রধান বাধা।
জবাবে ট্রাম্প এই বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন, যদিও তিনি প্রকাশ্যে অবরোধ বজায় রাখার কথা বলছেন।
আলোচনায় অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ইরান কিছু বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে নারাজ। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা বা আপস করা হবে না। বাঘাই অভিযোগ করেছেন যে, ওয়াশিংটন কিছু ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব’ অবস্থানে অনড় রয়েছে, যা শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।
গত কয়েক দিনে পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি একটি ইরানি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে, যা অবরোধ ভেঙে এগোতে চেয়েছিল। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ হরমুজ প্রণালি (যেখান দিয়ে বিশ্বের ২০% তেল সরবরাহ হয়) পুনরায় অবরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসার বিষয়টি ‘ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনা’ করছে ইরান। আজ সোমবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। মূলত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারে পাকিস্তানের বিশেষ উদ্যোগের পরই তেহরানের সুরে এই নমনীয়তা দেখা গেছে।
গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। তবে কখন এই যুদ্ধবিরতি শেষ হবে, সে ব্যাপারে কিছু বলেননি। পাকিস্তানের একটি সূত্র বলছে, এই সময়সীমা মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৮টায় শেষ হতে যাচ্ছে (যা ইরানি সময় অনুযায়ী বুধবার ভোর সাড়ে ৩টা)।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। যদিও ইতিপূর্বে ইরান এই আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল এবং মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল। তবে বর্তমানে সেই অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই শান্তি আলোচনার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, মার্কিন নৌ-অবরোধ শান্তি আলোচনার পথে প্রধান বাধা।
জবাবে ট্রাম্প এই বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন, যদিও তিনি প্রকাশ্যে অবরোধ বজায় রাখার কথা বলছেন।
আলোচনায় অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ইরান কিছু বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে নারাজ। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা বা আপস করা হবে না। বাঘাই অভিযোগ করেছেন যে, ওয়াশিংটন কিছু ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব’ অবস্থানে অনড় রয়েছে, যা শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।
গত কয়েক দিনে পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি একটি ইরানি কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে, যা অবরোধ ভেঙে এগোতে চেয়েছিল। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ হরমুজ প্রণালি (যেখান দিয়ে বিশ্বের ২০% তেল সরবরাহ হয়) পুনরায় অবরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে।