চরচা প্রতিবেদক

প্রয়োজন হলে আগামী মে মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কথা সরকার চিন্তা করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।
শওকতুল ইসলাম তার প্রশ্নে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কি না জানতে চান। জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য একটি আইন আছে। সে আইন অনুসারে আমরা প্রতি মাসে দামের সমন্বয় করি। গত মাসে সমন্বয় করে সরকার দাম বাড়ায়নি। আগামী মাসে আমরা দামের উপর কাজ করছি। যদি সমন্বয় করে দেখা যায়, দাম বৃদ্ধি করা এখনই প্রয়োজন, তাহলে আমরা আলোচনা করে মন্ত্রিসভায় মূল্যবৃদ্ধির কথা চিন্তা করব।”
এর আগে সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রিমিয়াম ও ফ্রেট রেটের অস্বাভাবিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নৌপথে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে বৈশ্বিক জ্বলানি সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সরকার সম্ভাব্য সকল উৎস অন্বেষণ করে দেশে সব ধরনের তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।
মজুতের চিত্র তুলে ধরে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ডিজেল আছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন। এক লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে। অকটেন মজুদ রয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টন। ৭১ হাজার ৫৪৩ টন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে। পেট্রল ১৬ হাজার টন মজুদ আছে। ৩৬ হাজার টন এপ্রিলের মধ্যে আসবে।

প্রয়োজন হলে আগামী মে মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কথা সরকার চিন্তা করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।
শওকতুল ইসলাম তার প্রশ্নে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কি না জানতে চান। জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য একটি আইন আছে। সে আইন অনুসারে আমরা প্রতি মাসে দামের সমন্বয় করি। গত মাসে সমন্বয় করে সরকার দাম বাড়ায়নি। আগামী মাসে আমরা দামের উপর কাজ করছি। যদি সমন্বয় করে দেখা যায়, দাম বৃদ্ধি করা এখনই প্রয়োজন, তাহলে আমরা আলোচনা করে মন্ত্রিসভায় মূল্যবৃদ্ধির কথা চিন্তা করব।”
এর আগে সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রিমিয়াম ও ফ্রেট রেটের অস্বাভাবিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক নৌপথে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে বৈশ্বিক জ্বলানি সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সরকার সম্ভাব্য সকল উৎস অন্বেষণ করে দেশে সব ধরনের তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।
মজুতের চিত্র তুলে ধরে জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, ডিজেল আছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন। এক লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে। অকটেন মজুদ রয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টন। ৭১ হাজার ৫৪৩ টন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে। পেট্রল ১৬ হাজার টন মজুদ আছে। ৩৬ হাজার টন এপ্রিলের মধ্যে আসবে।