চরচা প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলন চলাকালীন বাড্ডা এলাকায় সোহেলী তামান্না হত্যা চেষ্টা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথিকে ফের (৩৫) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে এই আবেদন করেন।
আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তারের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এই মামলার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছেন। যদিও এসময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলো না।
আদালতে বিচারককে উদ্দেশ্য করে খাদিজা ইয়াসমিন বলেন, “এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন? আমার বাচ্চা আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি চাকরি করে চলি। এত টাকা কই পাবো?”
খাদিজা ইয়াসমিনের ভাষ্য, তিনি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তার বাবার কারণেই তাকে বারবার বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তাছাড়া জুলাইয়ের সময় পার্ট টাইম জবের জন্য তিনি সিলেট গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ৫ আগস্ট ভাটারা থানাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় কোটা আন্দোলনের সমর্থনে বের হওয়া মিছিলে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় সোহেলী তামান্না গুরুতর আহত হন। সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাদীর বাম হাতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেলী নিজেই বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনার সঙ্গে সন্দিগ্ধ আসামি খাদিজা ইয়াসমিন বিথির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। একারণে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।

জুলাই আন্দোলন চলাকালীন বাড্ডা এলাকায় সোহেলী তামান্না হত্যা চেষ্টা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথিকে ফের (৩৫) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে এই আবেদন করেন।
আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তারের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এই মামলার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছেন। যদিও এসময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলো না।
আদালতে বিচারককে উদ্দেশ্য করে খাদিজা ইয়াসমিন বলেন, “এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন? আমার বাচ্চা আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি চাকরি করে চলি। এত টাকা কই পাবো?”
খাদিজা ইয়াসমিনের ভাষ্য, তিনি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তার বাবার কারণেই তাকে বারবার বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তাছাড়া জুলাইয়ের সময় পার্ট টাইম জবের জন্য তিনি সিলেট গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ৫ আগস্ট ভাটারা থানাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় কোটা আন্দোলনের সমর্থনে বের হওয়া মিছিলে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় সোহেলী তামান্না গুরুতর আহত হন। সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাদীর বাম হাতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেলী নিজেই বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনার সঙ্গে সন্দিগ্ধ আসামি খাদিজা ইয়াসমিন বিথির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। একারণে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।