চরচা ডেস্ক

ভারতের কেরালায় বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে এখন পর্যন্ত এগিয়ে কংগ্রেসের জোট ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট ইউডিএফ। বিকেল পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৪০টির মধ্যে তারা ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে, এগিয়ে ৮৯টিতে। অন্যদিকে, ক্ষমতায় থাকা বাম জোট এলডিএফ বেশ পেছনে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইন বলছে, দীর্ঘ ৪৪ বছরের প্রথা ভেঙে টানা দুইবার ক্ষমতায় ছিল বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এলডিএফ। এবার তাদের পেছনে ফেলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে চলেছে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে কড়া নিরাপত্তায় ভোটগণনা শুরু হয়।
দুপুর ২টা পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী চিত্রটি নিম্নরূপ:
মোট আসন: ১৪০
ইউডিএফ: এগিয়ে ৯৫টি আসনে (৬টিতে জয় নিশ্চিত)
এলডিএফ: এগিয়ে ৩৬টি আসনে
এনডিএ: এগিয়ে ২টি আসনে
কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নিলম্বুর, ত্রিশূর, পুথুপল্লী, হরিপাদ, কোল্লাম এবং উদুম্বনচোল্লা আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে বাম জোটের দল সিপিআই(এম) জয়ী হয়েছে আলাথুর এবং শোরনুর আসনে। বর্তমানে একক দল হিসেবে কংগ্রেস ৫৪টি আসনে এবং সিপিআই(এম) ২৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
এ নির্বাচন নিয়ে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ বলেন, “কেরালার সাধারণ মানুষ আমাদের যে বিপুল জনসমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এটি এলডিএফ সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট রায়। গত ডিসেম্বরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলেরই প্রতিফলন ঘটেছে এই বিধানসভা নির্বাচনে।”
২০২১ সালের নির্বাচনে ৯৯টি আসন জিতে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করে ইতিহাস তৈরি করেছিল। তবে এবার বুথফেরত সমীক্ষার আভাসকে সত্যি করে কেরালা তার পুরনো ঐতিহ্য অনুযায়ী ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটাতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ৯ এপ্রিল কেরালায় এক দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৭৯.৬%। মোট ৮৮০ জনেরও বেশি প্রার্থী এই লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন কেরালার ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনও চালিয়েছিল।

ভারতের কেরালায় বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে এখন পর্যন্ত এগিয়ে কংগ্রেসের জোট ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট ইউডিএফ। বিকেল পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৪০টির মধ্যে তারা ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে, এগিয়ে ৮৯টিতে। অন্যদিকে, ক্ষমতায় থাকা বাম জোট এলডিএফ বেশ পেছনে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইন বলছে, দীর্ঘ ৪৪ বছরের প্রথা ভেঙে টানা দুইবার ক্ষমতায় ছিল বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট এলডিএফ। এবার তাদের পেছনে ফেলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে চলেছে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে কড়া নিরাপত্তায় ভোটগণনা শুরু হয়।
দুপুর ২টা পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী চিত্রটি নিম্নরূপ:
মোট আসন: ১৪০
ইউডিএফ: এগিয়ে ৯৫টি আসনে (৬টিতে জয় নিশ্চিত)
এলডিএফ: এগিয়ে ৩৬টি আসনে
এনডিএ: এগিয়ে ২টি আসনে
কংগ্রেস ইতিমধ্যেই নিলম্বুর, ত্রিশূর, পুথুপল্লী, হরিপাদ, কোল্লাম এবং উদুম্বনচোল্লা আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে বাম জোটের দল সিপিআই(এম) জয়ী হয়েছে আলাথুর এবং শোরনুর আসনে। বর্তমানে একক দল হিসেবে কংগ্রেস ৫৪টি আসনে এবং সিপিআই(এম) ২৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
এ নির্বাচন নিয়ে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ বলেন, “কেরালার সাধারণ মানুষ আমাদের যে বিপুল জনসমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এটি এলডিএফ সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট রায়। গত ডিসেম্বরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলেরই প্রতিফলন ঘটেছে এই বিধানসভা নির্বাচনে।”
২০২১ সালের নির্বাচনে ৯৯টি আসন জিতে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করে ইতিহাস তৈরি করেছিল। তবে এবার বুথফেরত সমীক্ষার আভাসকে সত্যি করে কেরালা তার পুরনো ঐতিহ্য অনুযায়ী ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটাতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ৯ এপ্রিল কেরালায় এক দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৭৯.৬%। মোট ৮৮০ জনেরও বেশি প্রার্থী এই লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন কেরালার ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনও চালিয়েছিল।