চরচা ডেস্ক

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রচেষ্টায় এবার নতুন কৌশল নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমার অবাধ্য হবে, তাদের ওপর কঠোর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, ট্রাম্প তার বক্তব্যে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য’ বলে অভিহিত করেন।
এ সময় ট্রাম্প বলেন, “আমি গ্রিনল্যান্ডের জন্য এটা (শুল্ক আরোপ) করতে পারি। যদি দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমাদের সাথে একমত না হয়, তবে আমি তাদের পণ্যের ওপর শুল্ক বসাব।”
ট্রাম্পের মতে, রাশিয়া বা চীনের প্রভাব থেকে উত্তর মেরু অঞ্চলকে রক্ষা করতে গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প ইতিপূর্বেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আমদানিকৃত ঔষধের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ঔষধের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া সেই পদক্ষেপের সূত্র ধরেই তিনি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুটিকে সামনে আনেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ঔষধের মতো অন্যান্য খাতেও এই ‘শুল্ক যুদ্ধ’ ছড়িয়ে পড়তে পারে, যদি বিশ্বনেতারা তার গ্রিনল্যান্ড পরিকল্পনা সমর্থন না করেন।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ডেনমার্ক সরকার বারবার বলেছে, “গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।”
ট্রাম্পের এমন হুমকির মুখে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্ভাব্য বাণিজ্যিক চুক্তি স্থগিত করার কথা ভাবছে। এরই মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ সেখানে যৌথ মহড়া ও সেনা মোতায়েন শুরু করেছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবে বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদ এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে ট্রাম্প এটি দখলে নিতে এতটাই মরিয়া যে, তিনি মিত্র দেশগুলোর সাথেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ঝুঁকিতে ফেলতে দ্বিধা করছেন না।

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রচেষ্টায় এবার নতুন কৌশল নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যেসব দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমার অবাধ্য হবে, তাদের ওপর কঠোর বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, ট্রাম্প তার বক্তব্যে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য’ বলে অভিহিত করেন।
এ সময় ট্রাম্প বলেন, “আমি গ্রিনল্যান্ডের জন্য এটা (শুল্ক আরোপ) করতে পারি। যদি দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমাদের সাথে একমত না হয়, তবে আমি তাদের পণ্যের ওপর শুল্ক বসাব।”
ট্রাম্পের মতে, রাশিয়া বা চীনের প্রভাব থেকে উত্তর মেরু অঞ্চলকে রক্ষা করতে গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প ইতিপূর্বেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আমদানিকৃত ঔষধের ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ঔষধের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া সেই পদক্ষেপের সূত্র ধরেই তিনি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুটিকে সামনে আনেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ঔষধের মতো অন্যান্য খাতেও এই ‘শুল্ক যুদ্ধ’ ছড়িয়ে পড়তে পারে, যদি বিশ্বনেতারা তার গ্রিনল্যান্ড পরিকল্পনা সমর্থন না করেন।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ডেনমার্ক সরকার বারবার বলেছে, “গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।”
ট্রাম্পের এমন হুমকির মুখে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্ভাব্য বাণিজ্যিক চুক্তি স্থগিত করার কথা ভাবছে। এরই মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ সেখানে যৌথ মহড়া ও সেনা মোতায়েন শুরু করেছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবে বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদ এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে ট্রাম্প এটি দখলে নিতে এতটাই মরিয়া যে, তিনি মিত্র দেশগুলোর সাথেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ঝুঁকিতে ফেলতে দ্বিধা করছেন না।