চরচা প্রতিবেদক

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নতুন এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন। আজ সোমবার সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। শপথের আমন্ত্রণপত্র ইস্যু করা হচ্ছে। নির্বাচিত সংসদ-সদস্যের নিকট শপথের আমন্ত্রণপত্র কোনো কারণবশতঃ হস্তগত না হলে শপথ গ্রহণের দিন সংসদ ভবনের টানেলের অভ্যন্তরস্থ মূল প্রবেশ পথে অবস্থিত ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের এনআইডি সঙ্গে রাখার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে।”
জাতীয় সংসদের সদস্যরা শপথ নেন আগের সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে। তবে গণ অভ্যুত্থানের পর দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে সেই। তিনি পদত্যাগও করেছেন। যদিও নতুন স্পিকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত আগের স্পিকার দায়িত্বে থাকেন। এবার নতুন সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে হওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর।
ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বলা হয়েছে, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদাভাবে শপথ নিতে হবে।
সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে দুই শপথ পর্যায়ক্রমে হবে।
সকালের শপথের পর বিকালে নতুন সরকারের শপথ হবে। দীর্ঘদিনের রীতির বাইরে গিয়ে এবার বঙ্গভবনের বাইরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথের আয়োজন করা হয়েছে।
নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়কার জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নতুন এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন। আজ সোমবার সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। শপথের আমন্ত্রণপত্র ইস্যু করা হচ্ছে। নির্বাচিত সংসদ-সদস্যের নিকট শপথের আমন্ত্রণপত্র কোনো কারণবশতঃ হস্তগত না হলে শপথ গ্রহণের দিন সংসদ ভবনের টানেলের অভ্যন্তরস্থ মূল প্রবেশ পথে অবস্থিত ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের এনআইডি সঙ্গে রাখার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে।”
জাতীয় সংসদের সদস্যরা শপথ নেন আগের সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে। তবে গণ অভ্যুত্থানের পর দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে সেই। তিনি পদত্যাগও করেছেন। যদিও নতুন স্পিকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত আগের স্পিকার দায়িত্বে থাকেন। এবার নতুন সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে হওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর।
ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বলা হয়েছে, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদাভাবে শপথ নিতে হবে।
সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে দুই শপথ পর্যায়ক্রমে হবে।
সকালের শপথের পর বিকালে নতুন সরকারের শপথ হবে। দীর্ঘদিনের রীতির বাইরে গিয়ে এবার বঙ্গভবনের বাইরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথের আয়োজন করা হয়েছে।
নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে তাদের এক সময়কার জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।