চরচা প্রতিবেদক

টমাস ডুলির নাম যে চূড়ান্ত হচ্ছে, খবর বেরিয়েছিল আগেই। বাফুফের দিক থেকে নিশ্চিতকরণটাই শুধু বাকি ছিল। শুক্রবার সকালে বাফুফের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে টমাস ডুলির খবরটাই সত্যি। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা ও একটিতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া ডুলিই হচ্ছেন বাংলাদেশের নতুন কোচ।
৬৫ বছর বয়সী ডুলি বাংলাদেশেও চলে এসেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার থেকে বাংলাদেশ দলের ক্যাম্পে দেখা যাবে তাকে। আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ডুলি অবশ্য জন্মসূত্রে জার্মান। তিনি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ৮১ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গোল করেছেন ৭টি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে খেলেছেন, ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক।
ক্লাব ফুটবলে খেলেছেন বেয়ার লেভারকুসেন ও শালকের মতো জার্মান ক্লাবে। শালকের হয়ে ১৯৯৭ সালে জিতেছেন উয়েফা কাপও।
ক্লাব ফুটবলেও তার প্রোফাইল বেশ ভারী। বায়ার লেভারকুসেন ও শালকের মতো জার্মান ক্লাবে খেলেছেন, যার মধ্যে শালকের হয়ে উয়েফা কাপও (বর্তমানে ইউরোপা লিগ) জেতেন ১৯৯৭ সালে। এ ছাড়া এফসি কাইজারস্লাউটার্নের হয়ে ১৯৯০–৯১ মৌসুমে জেতেন বুন্দেসলিগা শিরোপাও।
কোচ হিসেবে অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ ডুলির। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের কোচ বিশ্বকাপজয়ী জার্মান তারকা ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি ফিলিপাইন জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। মাঝখানে কিছুদিন ভিয়েতনাম লিগের দল ‘ভিয়েতেলে’র স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন। এরপর আবার ফিরে যান ফিলিপাইন দলের কোচের দায়িত্বে। সর্বশেষ তিনি কোচ ছিলেন গায়ানা জাতীয় দলের।

টমাস ডুলির নাম যে চূড়ান্ত হচ্ছে, খবর বেরিয়েছিল আগেই। বাফুফের দিক থেকে নিশ্চিতকরণটাই শুধু বাকি ছিল। শুক্রবার সকালে বাফুফের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে টমাস ডুলির খবরটাই সত্যি। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা ও একটিতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া ডুলিই হচ্ছেন বাংলাদেশের নতুন কোচ।
৬৫ বছর বয়সী ডুলি বাংলাদেশেও চলে এসেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার থেকে বাংলাদেশ দলের ক্যাম্পে দেখা যাবে তাকে। আগামী ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

ডুলি অবশ্য জন্মসূত্রে জার্মান। তিনি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ৮১ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গোল করেছেন ৭টি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে খেলেছেন, ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অধিনায়ক।
ক্লাব ফুটবলে খেলেছেন বেয়ার লেভারকুসেন ও শালকের মতো জার্মান ক্লাবে। শালকের হয়ে ১৯৯৭ সালে জিতেছেন উয়েফা কাপও।
ক্লাব ফুটবলেও তার প্রোফাইল বেশ ভারী। বায়ার লেভারকুসেন ও শালকের মতো জার্মান ক্লাবে খেলেছেন, যার মধ্যে শালকের হয়ে উয়েফা কাপও (বর্তমানে ইউরোপা লিগ) জেতেন ১৯৯৭ সালে। এ ছাড়া এফসি কাইজারস্লাউটার্নের হয়ে ১৯৯০–৯১ মৌসুমে জেতেন বুন্দেসলিগা শিরোপাও।
কোচ হিসেবে অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ ডুলির। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের কোচ বিশ্বকাপজয়ী জার্মান তারকা ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি ফিলিপাইন জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। মাঝখানে কিছুদিন ভিয়েতনাম লিগের দল ‘ভিয়েতেলে’র স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন। এরপর আবার ফিরে যান ফিলিপাইন দলের কোচের দায়িত্বে। সর্বশেষ তিনি কোচ ছিলেন গায়ানা জাতীয় দলের।