চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটের ফলাফলে সংশোধন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ১০ লাখ এবং ‘না’ কমেছে এক লাখ।
গতকাল বুধবার ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা অতিরিক্ত গেজেটে সংশোধিত এই ফল প্রকাশ করা হয়।
ইসির আগের গেজেটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল চার কোটি ৮২ লাখের বেশি। সংশোধিত গেজেটে তা কমে হয়েছে চার কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০। ‘না’ ভোটও কমে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১। সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি। পাশাপাশি বাতিল ভোট বেড়েছে আরও ১২ হাজারের বেশি।
ভোট কমার বিষয়ে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, “তখন করণিক ভুল ছিল, ট্রান্সপজিশন এরর ছিল। যার কারনে এই ভুল হয়েছে। করণিক ভুলতো হতেই পারে। যেহেতু হাতে করা হয়। যেগুলো এদিক-ওদিক হয়েছে সেগুলো কারেকশন করে পরবর্তীতে যেগুলো দিয়েছে সে অনুযায়ী এগুলো ঠিক করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মূল যে প্রতিপাদ্য... ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর যে প্রতিপাদ্য ‘হ্যাঁ’ এর সংখ্যা বেশি সেটাতে কোন বিচ্যুতি হয়নি।”
২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর জন্যই গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটের ফলাফলে সংশোধন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ১০ লাখ এবং ‘না’ কমেছে এক লাখ।
গতকাল বুধবার ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা অতিরিক্ত গেজেটে সংশোধিত এই ফল প্রকাশ করা হয়।
ইসির আগের গেজেটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল চার কোটি ৮২ লাখের বেশি। সংশোধিত গেজেটে তা কমে হয়েছে চার কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০। ‘না’ ভোটও কমে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১। সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি। পাশাপাশি বাতিল ভোট বেড়েছে আরও ১২ হাজারের বেশি।
ভোট কমার বিষয়ে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, “তখন করণিক ভুল ছিল, ট্রান্সপজিশন এরর ছিল। যার কারনে এই ভুল হয়েছে। করণিক ভুলতো হতেই পারে। যেহেতু হাতে করা হয়। যেগুলো এদিক-ওদিক হয়েছে সেগুলো কারেকশন করে পরবর্তীতে যেগুলো দিয়েছে সে অনুযায়ী এগুলো ঠিক করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মূল যে প্রতিপাদ্য... ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর যে প্রতিপাদ্য ‘হ্যাঁ’ এর সংখ্যা বেশি সেটাতে কোন বিচ্যুতি হয়নি।”
২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর জন্যই গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।