চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সেজে রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া ও টাকা দাবি করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। আজ মঙ্গলবার সাভার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. শামীম ওসমান। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কিশোরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) জানায়, শামীম ওসমান নিজেকে বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পরিচয় দিয়ে রাজশাহীর ডিসিকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠান। সেই মেসেজে তিনি দুটি চাঞ্চল্যকর কথা বলেন, “রাজশাহীতে কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা যাবে না।” ও “আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হবে না।”
বিভ্রান্তিকর তথ্যের পাশাপাশি শামীম ওসমান জেলা প্রশাসকের কাছে মাসিক ‘কালেকশন’ নিয়ে জানতে চান এবং তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে জরুরি ভিত্তিতে ১ লাখ টাকা পাঠাতে বলেন।
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সিআইডিকে জানান। পরে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন দল উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকের অবস্থান শনাক্ত করে সাভারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শামীম ওসমান একজন পেশাদার প্রতারক। এর আগেও তিনি বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা করেছেন। রাজশাহীর বাঘা থানায় তার নামে আগের একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সেজে রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া ও টাকা দাবি করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। আজ মঙ্গলবার সাভার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. শামীম ওসমান। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কিশোরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) জানায়, শামীম ওসমান নিজেকে বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পরিচয় দিয়ে রাজশাহীর ডিসিকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠান। সেই মেসেজে তিনি দুটি চাঞ্চল্যকর কথা বলেন, “রাজশাহীতে কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা যাবে না।” ও “আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হবে না।”
বিভ্রান্তিকর তথ্যের পাশাপাশি শামীম ওসমান জেলা প্রশাসকের কাছে মাসিক ‘কালেকশন’ নিয়ে জানতে চান এবং তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে জরুরি ভিত্তিতে ১ লাখ টাকা পাঠাতে বলেন।
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সিআইডিকে জানান। পরে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন দল উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকের অবস্থান শনাক্ত করে সাভারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শামীম ওসমান একজন পেশাদার প্রতারক। এর আগেও তিনি বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা করেছেন। রাজশাহীর বাঘা থানায় তার নামে আগের একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।