
ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম
অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

গ্রীষ্মকালীন ফল আমের স্বাদ নিয়ে বিতর্ক নেই। আম সুস্বাদু, মিষ্টি ও লোভনীয় ফল। স্বাদের পাশাপাশি আমের পুষ্টিগুণও রয়েছে অনেক। তবে আমেরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমপ্রেমীদের কাছে শুনতে অদ্ভূত বা হতাশাজনক মনে হলেও অতিরিক্ত মিষ্টি, টক ও পুষ্টিকর এই ফলটি সঠিকভাবে না খেলে শরীরে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই আমের এমন কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যেগুলোর দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে আমের সম্ভাব্য কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে।
অ্যালার্জি প্রভাবিত করতে পারে
বিশেষজ্ঞরা জানান, আমের যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে তারমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমের কারণে অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে যারা ল্যাটেক্স অ্যালার্জিতে ভোগেন, তাদের জন্য এই ফল ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ, আমের কিছু প্রোটিন ল্যাটেক্সের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যা সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

রক্তে শর্করা বাড়ায়
মিষ্টি ও সুস্বাদু আমে প্রাকৃতিক চিনি বেশি থাকায় এটি দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিসসহ জীবনধারা-সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগে প্রাকৃতিক চিনি অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ চিনির মতোই প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আম খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
কম আঁশযুক্ত
অনেক জাতের আমে আঁশের পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। কারণ, আমের খোসা ও আঁটিতে আঁশ বেশি থাকলেও সেগুলো সাধারণত খাওয়া হয় না। ফলে শুধু আম খেলে হজম প্রক্রিয়ায় তেমন সহায়তা নাও মিলতে পারে। তাই হজম ঠিক রাখতে আঁশসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে আম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ওজন বাড়াতে পারে
বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিরিক্ত আম খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। কারণ, এতে আঁশ কম হলেও প্রাকৃতিক চিনি ও ক্যালরির পরিমাণ বেশি, যা অন্যান্য অনেক খাবারের তুলনায় ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খেলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে থাকা ফারমেন্টেবল কার্বোহাইড্রেট ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস) বাড়িয়ে দিতে পারে এবং হজমে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ

মাইক্রোম্যানেজমেন্ট কর্মীদের মনে বার্তা দেয় যে তাদের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না, যা তাদের আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরায়। স্বাধীন চিন্তার সুযোগ না থাকায় কর্মক্ষেত্রে ‘আইডিয়া ভ্যাকিউম’ তৈরি হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কাজের গতি ধীর হয়ে যায়।