চরচা ডেস্ক

চাকরির দুনিয়া এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত, প্রতিযোগিতামূলক ও মানসিকভাবে চাপপূর্ণ। এর মধ্যেই নতুন এক অবস্থা দেখা দিচ্ছে। সেটি হলো ‘কোয়ায়েট ক্র্যাকিং’। অর্থাৎ, কর্মীরা বাহ্যিকভাবে সক্রিয়, দায়িত্ববান এবং ‘আমি ঠিক আছি’ বলে চললেও ভেতরে ভেতরে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন, ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন। এই নীরব ভাঙনই এখন অফিস সংস্কৃতির অদৃশ্য মহামারি।
মনোবিজ্ঞানী ফ্রাঙ্ক গিয়ামপিয়েত্রো সিএনবিসিকে বলেছেন, “কোয়ায়েট ক্র্যাকিং ও কোয়ায়েট কুইটিং আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-অপিঠ। যেখানে কোয়ায়েট কুইটিং-এ কর্মীরা ন্যূনতম কাজ করে মানসিক শান্তি খোঁজেন, সেখানে কোয়ায়েট ক্র্যাকিং-এ তারা একেবারেই চুপচাপ হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, কিন্তু বাইরে থেকে পেশাদারত্বের মুখোশ ধরে রাখেন। এক অর্থে, অতি কাজের চাপে গোপনে নিঃশেষ বা বার্নআউট হয়ে যাওয়া।”

গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত কাজের চাপ, ক্রমাগত টার্গেট, মাইক্রো-ম্যানেজমেন্ট এবং অফিসে মানসিক সহানুভূতির অভাবই এই সমস্যার মূল কারণ। বিশেষ করে করপোরেট চাকরি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, হেলথকেয়ার ও কাস্টমার সার্ভিস পেশায় কর্মরতদের মধ্যে কোয়ায়েট ক্র্যাকিং বেশি দেখা যাচ্ছে। এতে অনেক সময় ভালো কর্মীদের কর্মক্ষমতা কমে আসে। এদের মধ্যে অনেকে অফিসে সব কিছু সামলে, রাতে ঘরে ফিরে মানসিক অবসাদে ভোগেন কিন্তু কাউকে কিছু বলেন না।
কর্মসংস্কৃতিতে এখনো ‘সব ঠিক আছে’ ভাব দেখানো এক ধরনের অঘোষিত নিয়ম হয়ে আছে। অনেকে ভাবেন দুর্বলতা দেখালে চাকরি বা সম্মান হারাতে পারেন। এই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একেবারেই অমূলক নয়। ফলে কর্মীরা ভেতরে ভেতরে চাপ, হতাশা ও উদ্বেগ জমিয়ে রাখেন। সময়ের সঙ্গে এই মানসিক বোঝা এতটাই বেড়ে যায় যে তা কাজের মান, সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত সুখ- সবকিছুতেই প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মোকাবিলায় কোম্পানিগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। কর্মীদের জন্য কাউন্সেলিং, পছন্দ অনুযায়ী কাজের সময় এবং খোলামেলা আলোচনা পরিবেশ জরুরি। একইসঙ্গে কর্মীদেরও উচিত নিজের সীমা বোঝা, বিশ্রাম নেওয়া এবং সাহায্য চাওয়া।
কোয়ায়েট ক্র্যাকিং পুরো অফিস সংস্কৃতির জন্য এক ধরনের অশনি সংকেত। কারণ কর্মী ভেঙে পড়লে ভেঙে পড়বে গোটা অফিস ব্যবস্থা। তাই এখন সময় এসেছে অফিসে শুধু পারফরম্যান্স নয়, কর্মীদের মনকেও মূল্য দেওয়া।

চাকরির দুনিয়া এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত, প্রতিযোগিতামূলক ও মানসিকভাবে চাপপূর্ণ। এর মধ্যেই নতুন এক অবস্থা দেখা দিচ্ছে। সেটি হলো ‘কোয়ায়েট ক্র্যাকিং’। অর্থাৎ, কর্মীরা বাহ্যিকভাবে সক্রিয়, দায়িত্ববান এবং ‘আমি ঠিক আছি’ বলে চললেও ভেতরে ভেতরে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন, ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন। এই নীরব ভাঙনই এখন অফিস সংস্কৃতির অদৃশ্য মহামারি।
মনোবিজ্ঞানী ফ্রাঙ্ক গিয়ামপিয়েত্রো সিএনবিসিকে বলেছেন, “কোয়ায়েট ক্র্যাকিং ও কোয়ায়েট কুইটিং আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-অপিঠ। যেখানে কোয়ায়েট কুইটিং-এ কর্মীরা ন্যূনতম কাজ করে মানসিক শান্তি খোঁজেন, সেখানে কোয়ায়েট ক্র্যাকিং-এ তারা একেবারেই চুপচাপ হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, কিন্তু বাইরে থেকে পেশাদারত্বের মুখোশ ধরে রাখেন। এক অর্থে, অতি কাজের চাপে গোপনে নিঃশেষ বা বার্নআউট হয়ে যাওয়া।”

গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত কাজের চাপ, ক্রমাগত টার্গেট, মাইক্রো-ম্যানেজমেন্ট এবং অফিসে মানসিক সহানুভূতির অভাবই এই সমস্যার মূল কারণ। বিশেষ করে করপোরেট চাকরি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, হেলথকেয়ার ও কাস্টমার সার্ভিস পেশায় কর্মরতদের মধ্যে কোয়ায়েট ক্র্যাকিং বেশি দেখা যাচ্ছে। এতে অনেক সময় ভালো কর্মীদের কর্মক্ষমতা কমে আসে। এদের মধ্যে অনেকে অফিসে সব কিছু সামলে, রাতে ঘরে ফিরে মানসিক অবসাদে ভোগেন কিন্তু কাউকে কিছু বলেন না।
কর্মসংস্কৃতিতে এখনো ‘সব ঠিক আছে’ ভাব দেখানো এক ধরনের অঘোষিত নিয়ম হয়ে আছে। অনেকে ভাবেন দুর্বলতা দেখালে চাকরি বা সম্মান হারাতে পারেন। এই ধারণা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একেবারেই অমূলক নয়। ফলে কর্মীরা ভেতরে ভেতরে চাপ, হতাশা ও উদ্বেগ জমিয়ে রাখেন। সময়ের সঙ্গে এই মানসিক বোঝা এতটাই বেড়ে যায় যে তা কাজের মান, সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত সুখ- সবকিছুতেই প্রভাব ফেলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মোকাবিলায় কোম্পানিগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। কর্মীদের জন্য কাউন্সেলিং, পছন্দ অনুযায়ী কাজের সময় এবং খোলামেলা আলোচনা পরিবেশ জরুরি। একইসঙ্গে কর্মীদেরও উচিত নিজের সীমা বোঝা, বিশ্রাম নেওয়া এবং সাহায্য চাওয়া।
কোয়ায়েট ক্র্যাকিং পুরো অফিস সংস্কৃতির জন্য এক ধরনের অশনি সংকেত। কারণ কর্মী ভেঙে পড়লে ভেঙে পড়বে গোটা অফিস ব্যবস্থা। তাই এখন সময় এসেছে অফিসে শুধু পারফরম্যান্স নয়, কর্মীদের মনকেও মূল্য দেওয়া।