চরচা ডেস্ক

বর্তমানে মানুষ যেকোনো কাজে শর্টকাট আর সহজলভ্য উপায় খোঁজে। তবে সবসময় কিন্তু এ পদ্ধতি কার্যকরী নাও হতে পারে। বিশেষত রান্নাঘরের কাজ সহজ করে দিতে পারে কিংবা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা হয় এমন কিছু উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন চেন্নাইভিত্তিক এক সার্জন।
ভারতের অ্যাপোলো হাসপাতাল ও মারিনাস ক্লিনিকের ল্যাপারোস্কোপিক কনসালট্যান্ট ও ব্যারিয়াট্রিক সার্জন প্রীতি মৃণালিনী ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিজের বাসা থেকে পাঁচটি জিনিস সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়েছেন।
দ্য হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে তার ওই পোস্টের বরাত দিয়ে জানায়, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ইন্সটাগ্রামে ডা. প্রীতি তার বাসায় কিছু জিনিসের প্রবেশ বন্ধ করেছেন বলে উল্লেখ করেন।
এই চিকিৎসক বলেন, তার সিদ্ধান্ত কোনো সাময়িক ট্রেন্ড নয়। চিকিৎসাক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাবের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্বাস্থ্যসচেতন পরিবারে যেসব উপাদানের স্থান নেই বলে তিনি মনে করেন, সেগুলো হলো:
১. প্যাকেটজাত ও রেডি-টু-ইট খাবার
ডা. প্রীতি মৃণালিনীর মতে, বাসায় প্যাকেটজাত ও রেডি-টু-ইট খাবার রাখা উচিত নয়। এসব খাবারে অতিরিক্ত লবণ, সংরক্ষণকারী কেমিক্যাল, কৃত্রিম স্বাদ ও স্ট্যাবিলাইজার থাকে, যা নিয়মিত খেলে অন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং প্রদাহ বাড়ায়।

২. অতিরিক্ত চিনি
ওজন বাড়ানো ছাড়াও চিনি ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে ফ্যাটি লিভার ও হরমোনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ডা. প্রীতি। তার মতে, চিনি খাওয়া কমানো স্বাস্থ্যের দ্রুত উন্নয়নের সহজ উপায়।
৩. নিম্নমানের বা সস্তা চকলেট
এসব চকলেটকে ডা. প্রীতি ‘কোকো–স্বাদের চিনির ব্লক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, এতে ভেজিটেবল ফ্যাট, অ্যাডিটিভ (খাবার দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখতে, স্বাদ বাড়াতে বা রঙ করতে ব্যবহৃত হয়) ও ইমালসিফায়ার বেশি থাকে। এগুলো হজমে সমস্যা, প্রদাহ এবং সংবেদনশীলদের ক্ষেত্রে ব্রণ বাড়াতে পারে।
৪. প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড
প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড রান্নাঘরের খুব পরিচিত একটি জিনিস। প্রতিবার কাটার সময় প্লাস্টিকের বোর্ড থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্যে মিশে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ডা. প্রীতি। তার মতে, কাঠ বা বাঁশের বোর্ড ব্যবহার তুলনামূলক নিরাপদ।
৫. রিফাইন্ড ভেজিটেবল অয়েল
এসব তেল রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নিষ্কাশিত ও উচ্চ তাপে প্রক্রিয়াজাত হয় বলে জানান এই চিকিৎসক। এতে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকতে পারে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কোল্ড-প্রেসড তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।
ডা. প্রীতির দাবি, এই পাঁচটি উপাদান বাদ দিলে হজম, শক্তি, ত্বকের স্বাস্থ্য ও মেটাবলিক কার্যকারিতায় দৃশ্যমান উন্নতি দেখা যেতে পারে। তিনি ধাপে ধাপে বিকল্প বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ছোট পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমানে মানুষ যেকোনো কাজে শর্টকাট আর সহজলভ্য উপায় খোঁজে। তবে সবসময় কিন্তু এ পদ্ধতি কার্যকরী নাও হতে পারে। বিশেষত রান্নাঘরের কাজ সহজ করে দিতে পারে কিংবা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা হয় এমন কিছু উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন চেন্নাইভিত্তিক এক সার্জন।
ভারতের অ্যাপোলো হাসপাতাল ও মারিনাস ক্লিনিকের ল্যাপারোস্কোপিক কনসালট্যান্ট ও ব্যারিয়াট্রিক সার্জন প্রীতি মৃণালিনী ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিজের বাসা থেকে পাঁচটি জিনিস সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়েছেন।
দ্য হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে তার ওই পোস্টের বরাত দিয়ে জানায়, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ইন্সটাগ্রামে ডা. প্রীতি তার বাসায় কিছু জিনিসের প্রবেশ বন্ধ করেছেন বলে উল্লেখ করেন।
এই চিকিৎসক বলেন, তার সিদ্ধান্ত কোনো সাময়িক ট্রেন্ড নয়। চিকিৎসাক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাবের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্বাস্থ্যসচেতন পরিবারে যেসব উপাদানের স্থান নেই বলে তিনি মনে করেন, সেগুলো হলো:
১. প্যাকেটজাত ও রেডি-টু-ইট খাবার
ডা. প্রীতি মৃণালিনীর মতে, বাসায় প্যাকেটজাত ও রেডি-টু-ইট খাবার রাখা উচিত নয়। এসব খাবারে অতিরিক্ত লবণ, সংরক্ষণকারী কেমিক্যাল, কৃত্রিম স্বাদ ও স্ট্যাবিলাইজার থাকে, যা নিয়মিত খেলে অন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং প্রদাহ বাড়ায়।

২. অতিরিক্ত চিনি
ওজন বাড়ানো ছাড়াও চিনি ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে ফ্যাটি লিভার ও হরমোনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ডা. প্রীতি। তার মতে, চিনি খাওয়া কমানো স্বাস্থ্যের দ্রুত উন্নয়নের সহজ উপায়।
৩. নিম্নমানের বা সস্তা চকলেট
এসব চকলেটকে ডা. প্রীতি ‘কোকো–স্বাদের চিনির ব্লক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, এতে ভেজিটেবল ফ্যাট, অ্যাডিটিভ (খাবার দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখতে, স্বাদ বাড়াতে বা রঙ করতে ব্যবহৃত হয়) ও ইমালসিফায়ার বেশি থাকে। এগুলো হজমে সমস্যা, প্রদাহ এবং সংবেদনশীলদের ক্ষেত্রে ব্রণ বাড়াতে পারে।
৪. প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড
প্লাস্টিকের কাটিং বোর্ড রান্নাঘরের খুব পরিচিত একটি জিনিস। প্রতিবার কাটার সময় প্লাস্টিকের বোর্ড থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্যে মিশে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ডা. প্রীতি। তার মতে, কাঠ বা বাঁশের বোর্ড ব্যবহার তুলনামূলক নিরাপদ।
৫. রিফাইন্ড ভেজিটেবল অয়েল
এসব তেল রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নিষ্কাশিত ও উচ্চ তাপে প্রক্রিয়াজাত হয় বলে জানান এই চিকিৎসক। এতে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকতে পারে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কোল্ড-প্রেসড তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।
ডা. প্রীতির দাবি, এই পাঁচটি উপাদান বাদ দিলে হজম, শক্তি, ত্বকের স্বাস্থ্য ও মেটাবলিক কার্যকারিতায় দৃশ্যমান উন্নতি দেখা যেতে পারে। তিনি ধাপে ধাপে বিকল্প বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ছোট পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।