
ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম
অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

খাবারের গায়ে অর্গানিক ট্যাগ দেওয়া থাকলে অনেকেই ধরে নেন এটি বেশ স্বাস্থ্যকর। পুষ্টিগুণে ভরপুর। দামও স্বাভাবিক খাবারের চেয়ে চড়া হয় শুধুমাত্র এই একটি ট্যাগের জন্য। তবে সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টে প্রচারিত ভিডিওতে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানী ড. ত্রিশা পাশরিচা বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, পুষ্টিগুণের হিসাবে অর্গানিক আর সাধারণ খাবারের তেমন পার্থক্য নেই।
যুক্তরাজ্যে, খাদ্য ও পানীয়কে কেবল তখনই অর্গানিক হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে যদি সেগুলো কঠোর উৎপাদন এবং ভালো মান পূরণ করে। এই নিয়মগুলো ফসল কীভাবে চাষ করা হয় থেকে শুরু করে পশুপালন কীভাবে করা হয় তা পর্যন্ত সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত করে।
সেই সুবাদে অর্গানিক খাবারের বৈশিষ্ট্য হলো-
প্রতিটি উৎপাদক, পরিবেশক এবং খুচরা বিক্রেতা বছরে অন্তত একবার অনুমোদিত সার্টিফিকেশন সংস্থা দ্বারা পরিদর্শন করা হয়। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে আটটি এই ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা পরিদর্শনে উত্তীর্ণ হন তারাই কেবল অর্গানিক লোগো বা সার্টিফিকেশন প্রদর্শন করতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রে অর্গানিক খাবারের জন্য এই নিয়মগুলো মানা হয় এবং সরকার থেকে ইউএসডিএ সার্টিফিকেশন দেওয়া হয়।
বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতনতার এই যুগে বেশিরভাগ মানুষ অর্গানিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে। সবার ধারণা এগুলো বেশ পুষ্টিকর। কিন্তু এই নিয়ে ড. ত্রিশা পাশরিচা বলেন, “অর্গানিক ও সাধারণ উৎপাদিত খাবারের পুষ্টিগুণে বড় কোনো পার্থক্য নেই। শুধুমাত্র বেশি ভিটামিন বা মিনারেল পেতে কেউ যদি অর্গানিক খাবারের দিকে ঝোঁকেন, তবে তেমন লাভ নেই।”
পার্থক্য কেবল কৃত্রিমতা ও কীটনাশকে। অর্গানিক খাবার উৎপাদনে কীটনাশক খুব কম ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের খাবারের গায়ে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকে না বললেই চলে। থাকলেও ৩০ শতাংশের কম।
তবে ড. ত্রিশা পাশরিচা জানান, অরগানিক লেবেলের বাইরে সাধারণভাবে উৎপাদিত খাবারে কীটনাশকের যে অবশিষ্টাংশ লেগে থাকে তা প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে অর্গানিক খাবার গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য বেশ নিরাপদ। কারণ তাদের সংবেদনশীল শরীরে কীটনাশক ও রাসায়নিকের প্রভাব দ্রুত পড়ে।

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ

মাইক্রোম্যানেজমেন্ট কর্মীদের মনে বার্তা দেয় যে তাদের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না, যা তাদের আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরায়। স্বাধীন চিন্তার সুযোগ না থাকায় কর্মক্ষেত্রে ‘আইডিয়া ভ্যাকিউম’ তৈরি হয়। প্রতিটি পদক্ষেপে সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কাজের গতি ধীর হয়ে যায়।