চরচা ডেস্ক

সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার এ কথা আমরা প্রায়ই শুনি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, ব্যস্ততার কারণে বা খাওয়ার অনীহায় বাচ্চারা সকালে নাস্তা না করেই স্কুলে চলে যায়। অভিভাবকেরাও অনেক সময় বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। অথচ নিয়মিত নাস্তা না খাওয়ার প্রভাব শুধু পেটেই পড়ে না, প্রভাব ফেলে বাচ্চার মস্তিষ্ক, মনোযোগ, এমনকি ইমোশনাল বা আবেগীয় বিকাশেও।
মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তিতে প্রভাব
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত নাস্তা করে, তাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বেশি কার্যকর হয়। সকালে নাস্তা না করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়, ফলে ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। শিশুরা তখন সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

শারীরিক বিকাশে বাধা
বাচ্চাদের শরীর প্রতিদিন দ্রুত বিকশিত হয়, তাই তাদের পুষ্টির চাহিদাও বেশি। সকালে নাস্তা না করলে শরীর প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও পুষ্টি পায় না, যা হাড়, মাংসপেশি ও মস্তিষ্কের বিকাশে বাধা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি ওজন কমে যাওয়া বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণ হতে পারে।
আবেগ ও আচরণে পরিবর্তন
খালি পেটে বাচ্চারা সহজেই বিরক্ত, খিটখিটে বা মনমরা হয়ে পড়ে। নাস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা মেজাজ স্থিতিশীল রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, নাস্তা বাদ দেওয়া শিশুদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা যেমন রাগ, অস্থিরতা বা মনোযোগের ঘাটতি বেশি দেখা যায়।
অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রবণতা
যারা সকালে নাস্তা করে না, তারা দুপুরে অতিরিক্ত ক্ষুধার কারণে জাঙ্ক ফুড বা চিনি ও তেলযুক্ত খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এতে ওজন বাড়ে, হজমে সমস্যা হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস বা স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ে।
এসব কিছু এড়াতে বাচ্চাকে সকালে সহজ ও পুষ্টিকর নাস্তা দিন। যেমন ডিম, দুধ, ফল, ওটস বা ছাতুর শরবত। সাদা পাউরুটির বদলে লাল আটার রুটি খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। সকালের নাস্তায় ঘরে তাজা ফল দিয়ে বানানো জ্যাম জেলি রাখতে পারেন। মাঝেমধ্যে বৈচিত্র্য আনতে নতুন রেসিপি ট্রাই করতে পারেন। সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ হলো-বাচ্চার নাস্তা খাওয়াকে আনন্দময় করুন, যেন এটি বাধ্যবাধকতা না লাগে। মনে রাখবেন, সকালের নাস্তা শুধু একবেলা খাবার নয়, এটি বাচ্চার সারাদিনের শক্তি, মনোযোগ ও মানসিক স্থিতির ভিত্তি।

সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার এ কথা আমরা প্রায়ই শুনি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, ব্যস্ততার কারণে বা খাওয়ার অনীহায় বাচ্চারা সকালে নাস্তা না করেই স্কুলে চলে যায়। অভিভাবকেরাও অনেক সময় বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। অথচ নিয়মিত নাস্তা না খাওয়ার প্রভাব শুধু পেটেই পড়ে না, প্রভাব ফেলে বাচ্চার মস্তিষ্ক, মনোযোগ, এমনকি ইমোশনাল বা আবেগীয় বিকাশেও।
মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তিতে প্রভাব
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত নাস্তা করে, তাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বেশি কার্যকর হয়। সকালে নাস্তা না করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়, ফলে ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। শিশুরা তখন সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

শারীরিক বিকাশে বাধা
বাচ্চাদের শরীর প্রতিদিন দ্রুত বিকশিত হয়, তাই তাদের পুষ্টির চাহিদাও বেশি। সকালে নাস্তা না করলে শরীর প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও পুষ্টি পায় না, যা হাড়, মাংসপেশি ও মস্তিষ্কের বিকাশে বাধা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি ওজন কমে যাওয়া বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণ হতে পারে।
আবেগ ও আচরণে পরিবর্তন
খালি পেটে বাচ্চারা সহজেই বিরক্ত, খিটখিটে বা মনমরা হয়ে পড়ে। নাস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা মেজাজ স্থিতিশীল রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, নাস্তা বাদ দেওয়া শিশুদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা যেমন রাগ, অস্থিরতা বা মনোযোগের ঘাটতি বেশি দেখা যায়।
অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রবণতা
যারা সকালে নাস্তা করে না, তারা দুপুরে অতিরিক্ত ক্ষুধার কারণে জাঙ্ক ফুড বা চিনি ও তেলযুক্ত খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এতে ওজন বাড়ে, হজমে সমস্যা হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস বা স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ে।
এসব কিছু এড়াতে বাচ্চাকে সকালে সহজ ও পুষ্টিকর নাস্তা দিন। যেমন ডিম, দুধ, ফল, ওটস বা ছাতুর শরবত। সাদা পাউরুটির বদলে লাল আটার রুটি খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। সকালের নাস্তায় ঘরে তাজা ফল দিয়ে বানানো জ্যাম জেলি রাখতে পারেন। মাঝেমধ্যে বৈচিত্র্য আনতে নতুন রেসিপি ট্রাই করতে পারেন। সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ হলো-বাচ্চার নাস্তা খাওয়াকে আনন্দময় করুন, যেন এটি বাধ্যবাধকতা না লাগে। মনে রাখবেন, সকালের নাস্তা শুধু একবেলা খাবার নয়, এটি বাচ্চার সারাদিনের শক্তি, মনোযোগ ও মানসিক স্থিতির ভিত্তি।