
টিনিটাস কী, কেন হয়
তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

দিনের শুরুর ওপর স্বাস্থ্যের বেশ ভালো প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে কিডনির ক্ষেত্রে। এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি শরীরের টক্সিন ও অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। তার যত্ন না নিলে বিপদ বাড়ে ধীরে ধীরে। অনেকেই জানেন না, আমাদের কিছু সাধারণ সকালবেলার অভ্যাসই কিডনির ক্ষতি করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন পাঁচটি অভ্যাস যা বদলে ফেললে কিডনি থাকবে সুস্থ।
ঘুম থেকে উঠে পানি পান না করা
রাতভর শরীরে পানি কমে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই পানি পান না করলে কিডনি পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল পায় না। এতে শরীরে টক্সিন জমে যেতে থাকে, যা কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। এই টক্সিন বের করতে সকালে এক গ্লাস উষ্ণ পানি পান করাই যথেষ্ট। এতে মেটাবলিজমও বাড়ে।

প্রস্রাব চেপে রাখা
অনেকে সকালে ব্যস্ততার কারণে বা অলসতায় প্রস্রাব চেপে রাখেন। এটি কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর অভ্যাস। প্রস্রাব চেপে রাখলে মূত্রাশয়ে ব্যাকটেরিয়া জমে সংক্রমণ হতে পারে, যা পরবর্তীতে কিডনিতে ছড়িয়ে গিয়ে কিডনি ইনফেকশন বা ‘পাইলোনেফ্রাইটিস’-এর ঝুঁকি বাড়ায়।
অতিরিক্ত তেল মসলা দেওয়া খাবার দিয়ে নাস্তা করা
অনেকেই সকালে পরোটা, বেশি তেলে ভাজা ডিম, আলু বা সবজির মতো তেল-মসলা দেওয়া খাবার খেয়ে দিন শুরু করেন। অতিরিক্ত মসলা বা সোডিয়াম কিডনির ফিল্টারেশন প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপের কারণ হয় যা কিডনি বিকলের প্রধান কারণগুলোর একটি।
ঘুম থেকে উঠেই কফি বা চা পান করা
সকালে সরাসরি কফি বা চা পান করলে তা শরীরকে আরও পানিশূন্য করে। ক্যাফেইন মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে, ফলে শরীর থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়। এর ফলে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

নাশতা না করা বা খুব দেরিতে করা
অনেকেই সকালে নাশতা না করে অফিস বা কাজের দিকে ছুটে যান। এতে রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চললে ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা কিডনি ক্ষয়ের অন্যতম বড় কারণ।
কিডনি শরীরের একটি গুরুত্বপূরণ অঙ্গ। এটি একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পুনরুদ্ধার করা কঠিন। তাই সকালে নিজের দিন শুরু করুন এক গ্লাস পানি, হালকা নাশতা ও নিয়মিত প্রস্রাবের অভ্যাস দিয়ে। ছোট এই পরিবর্তনগুলোই ভবিষ্যতে বড় বিপদ থেকে আপনাকে রক্ষা করতে পারে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তীব্র টিনিটাসের কারণে ঘুম হওয়া বা কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। টিনিটাস কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবেও থেকে যেতে পারে।

বালিশের মূল কাজ হলো মেরুদণ্ডকে স্বাভাবিক বা সোজা অবস্থায় রাখা। এটি ঘাড়কে শরীরের বাকি অংশের সাথে একই লাইনে রাখে, যা সঠিক শারীরিক ভঙ্গিমা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অটোনমিক নিউরোপ্যাথির পেছনে রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা ও রোগের ইতিহাস।

একবেলা খাবার খাওয়ার অন্যান্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে—হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করা এবং শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমানোর সম্ভাবনা।