চরচা ডেস্ক

এশিয়া কাপে নবম শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তবে এবারের এশিয়া কাপ নানা দিক দিয়েই ঘটনাবহুল। ঘটনার ঘণঘটার সবটাই অবশ্য ভারতীয়দের সৃষ্টি। গত এপ্রিলে কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ পর্যটকের নিহত হওয়া ও এর জেরে মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির রেশ এশিয়া কাপ পর্যন্ত টেনে এনেছে ভারত। টুর্নামেন্টের শেষটাও হয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতি জিইয়ে রেখে।

পুরো টুর্নামেন্টে ফাইনালসহ পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছে ভারত। এক ম্যাচেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের রীতি মেনে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলায়নি তারা। ম্যাচের আগে পরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের নিয়ম শুধু ক্রিকেটেই নয়, যেকোনো খেলাতেই। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়েই শিরোপা জিতে ভারত নতুন একটা ঘটনার জন্ম দিল। যে ঘটনা খেলার দুনিয়াতেই নজিরবিহীন। চ্যাম্পিয়ন হয়েও ট্রফি ছাড়াই উদ্যাপন করেছে ভারতীয় দল। ট্রফিটা তারা হাতে নেয়নি, কারণ ওটা যাঁর দেওয়ার কথা, তিনি একজন পাকিস্তানি। মহসিন নকভি, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান।
এই ঘটনার মধ্যেই নতুন খবরের জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর এক্সে তিনি ‘অপারেশন সিদুঁর’ এর প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। মে মাসে ‘অপারেশন সিদুঁর’ নাম নিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে হামলা চালিয়েছিল ভারত। ম্যাচের পর এশিয়া কাপ জয়ের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘খেলার মাঠেও অপরাশেন সিঁদুর। ফলাফল একই—ভারতের জয়! অভিনন্দন আমাদের ক্রিকেটারদের।’

খেলাটা আরও জমিয়ে দিয়েছেন এসিসির চেয়ার ম্যান মহসিন নকভি। মোদির এক্স পোস্টের জবাবটা দিয়েছেন খুব কড়া করেই। স্বাভাবিকভাবেই এসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এশিয়া কাপের শিরোপাধারীদের হাতে ট্রফি তুলে দিতে না পেরে ক্ষুব্ধ। তাই মোদিকে দেওয়া জবাবে ছিল তারই প্রতিচ্ছবি। তিনি ভারতকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে লিখেছেন, ‘যুদ্ধই যদি তোমার গর্বের মাপকাঠি হয়, তবে পাকিস্তানের হাতে তোমাদের লজ্জাজনক পরাজয়ের কথা ইতিহাস এরই মধ্যে লিখে দিয়েছে। কোনো ক্রিকেট ম্যাচই এই সত্য বদলাতে পারবে না। খেলার মাঠে যুদ্ধকে টেনে আনা শুধু হতাশারই বহিঃপ্রকাশ। এটি খেলার চেতনাকে কলঙ্কিত করে।’

গত মে মাসে অপারেশন সিদুঁর নাম দিয়ে সন্ত্রাসীদের ডেরায় হামলার কথা বলে পাকিস্তানের মাটিতে হামলা চালায় ভারত। প্রথম রাতের অভিযানেই ভারতীয় বিমানবাহিনীর কয়েকটি ফাইটার জেট ভূপাতিত করার দাবি করে পাকিস্তান। যদিও ভারত বরাবরই এটি অস্বীকার করে আসছে। এরপর পাকিস্তান অপারেশন বানিয়ান–উল–মারসুস’ নামে ভারতের ওপর প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা চালাতে থাকে। এর মধ্যেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে বসেন তাঁর কথাতেই দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছেন। ভারত কখনোই ট্রাম্পের এই দাবি স্বীকার করেনি। পাকিস্তান ও ভারত দুই দেশই মে মাসের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজেদের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনীর তো যুদ্ধজয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জেনারেল থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতিও আদায় করে নিয়েছেন।

এশিয়া কাপে নবম শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তবে এবারের এশিয়া কাপ নানা দিক দিয়েই ঘটনাবহুল। ঘটনার ঘণঘটার সবটাই অবশ্য ভারতীয়দের সৃষ্টি। গত এপ্রিলে কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ পর্যটকের নিহত হওয়া ও এর জেরে মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির রেশ এশিয়া কাপ পর্যন্ত টেনে এনেছে ভারত। টুর্নামেন্টের শেষটাও হয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতি জিইয়ে রেখে।

পুরো টুর্নামেন্টে ফাইনালসহ পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছে ভারত। এক ম্যাচেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের রীতি মেনে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলায়নি তারা। ম্যাচের আগে পরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের নিয়ম শুধু ক্রিকেটেই নয়, যেকোনো খেলাতেই। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়েই শিরোপা জিতে ভারত নতুন একটা ঘটনার জন্ম দিল। যে ঘটনা খেলার দুনিয়াতেই নজিরবিহীন। চ্যাম্পিয়ন হয়েও ট্রফি ছাড়াই উদ্যাপন করেছে ভারতীয় দল। ট্রফিটা তারা হাতে নেয়নি, কারণ ওটা যাঁর দেওয়ার কথা, তিনি একজন পাকিস্তানি। মহসিন নকভি, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান।
এই ঘটনার মধ্যেই নতুন খবরের জন্ম দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর এক্সে তিনি ‘অপারেশন সিদুঁর’ এর প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। মে মাসে ‘অপারেশন সিদুঁর’ নাম নিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে হামলা চালিয়েছিল ভারত। ম্যাচের পর এশিয়া কাপ জয়ের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘খেলার মাঠেও অপরাশেন সিঁদুর। ফলাফল একই—ভারতের জয়! অভিনন্দন আমাদের ক্রিকেটারদের।’

খেলাটা আরও জমিয়ে দিয়েছেন এসিসির চেয়ার ম্যান মহসিন নকভি। মোদির এক্স পোস্টের জবাবটা দিয়েছেন খুব কড়া করেই। স্বাভাবিকভাবেই এসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এশিয়া কাপের শিরোপাধারীদের হাতে ট্রফি তুলে দিতে না পেরে ক্ষুব্ধ। তাই মোদিকে দেওয়া জবাবে ছিল তারই প্রতিচ্ছবি। তিনি ভারতকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে লিখেছেন, ‘যুদ্ধই যদি তোমার গর্বের মাপকাঠি হয়, তবে পাকিস্তানের হাতে তোমাদের লজ্জাজনক পরাজয়ের কথা ইতিহাস এরই মধ্যে লিখে দিয়েছে। কোনো ক্রিকেট ম্যাচই এই সত্য বদলাতে পারবে না। খেলার মাঠে যুদ্ধকে টেনে আনা শুধু হতাশারই বহিঃপ্রকাশ। এটি খেলার চেতনাকে কলঙ্কিত করে।’

গত মে মাসে অপারেশন সিদুঁর নাম দিয়ে সন্ত্রাসীদের ডেরায় হামলার কথা বলে পাকিস্তানের মাটিতে হামলা চালায় ভারত। প্রথম রাতের অভিযানেই ভারতীয় বিমানবাহিনীর কয়েকটি ফাইটার জেট ভূপাতিত করার দাবি করে পাকিস্তান। যদিও ভারত বরাবরই এটি অস্বীকার করে আসছে। এরপর পাকিস্তান অপারেশন বানিয়ান–উল–মারসুস’ নামে ভারতের ওপর প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা চালাতে থাকে। এর মধ্যেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে বসেন তাঁর কথাতেই দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছেন। ভারত কখনোই ট্রাম্পের এই দাবি স্বীকার করেনি। পাকিস্তান ও ভারত দুই দেশই মে মাসের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজেদের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনীর তো যুদ্ধজয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জেনারেল থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতিও আদায় করে নিয়েছেন।