রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংসদ সচিবালয়ের কাছে সংসদ সদস্যদের তালিকা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকাটি পাওয়ার পরই নির্বাচন আয়োজনের তারিখ ও তফসিল নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।আখতার আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ, তফসিল কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিষয় চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে ওনাদের কাছে অনুরোধ করেছি, যে ভোটার তালিকাটা ওনারা দেবেন। ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল এই জিনিসগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।”
গত ২৪ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে উল্লেখ করেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন প্রসঙ্গেও কথা বলেন ইসি সচিব। তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, তবে তাদের সুপারিশ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি ব্রড ফ্রেম অফ রেফারেন্সের আওতায় আলোচনা হয়েছে, কিন্তু স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) নির্ধারণ করা হয়নি, যেখানে কী কী বিষয় বিবেচনায় আনা হবে তা নির্দিষ্ট থাকবে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হবে।
সব ধরনের নথিতে তথ্যের সামঞ্জস্যের বিষয়ে আখতার আহমেদ জানান জন্ম ও মৃত্য সনদের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এনআইডির তথ্য হালনাগাদ করা হবে। তিনি বলেন, “পাসপোর্ট একটি ট্রাভেল ডকুমেন্ট এবং এনআইডি একটি ন্যাশনাল ডকুমেন্ট। বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশনের সনদের ওপর নির্ভর করে এনআইডি তৈরি হয়, আর এনআইডির তথ্যের ভিত্তিতেই পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।”