চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে পিস্তল ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ সোমবার চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম সাংবাদিকদের জানান, সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে গতকাল রোববার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুইজন হলেন, দিদার আলম (৩০) ও আফসার মিয়া (৩১)। তাদের দুইজনের বাড়িই রাউজানে। গ্রেপ্তার দু’জন পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের সহযোগী বলে দাবি করেছে পুলিশ।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলায় দিদার ও আফসার এজাহারনামীয় আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি পেট্রল পাম্পের সামনে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সোমবার ভোরে পূর্ব রাউজানে অভিযান চালিয়ে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুইজনই মাসুদুল হক হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। ওই সময় তাদের এক জনের হাতে পিস্তল ও অপর একজনের হাতে অন্য একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।
গত ১৩ জুন রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনি বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হককে।
এ ঘটনায় তার বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী ১১ জনের নাম উল্লেখ করে রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তাতে আসামি করা হয় আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও রায়হানকে। দুইজনই বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী।