খুলনা নগরীর টুটপাড়া এলাকার আলোচিত যুবলীগ কর্মী ইসমাইল হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো: ফারদিন খানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার তাদেরকে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুই আসামি হলেন, মো: রায়হান মোল্লা ও সাইফুল হাওলাদার। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে তিন রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল, তিনটি শটগানের গুলি, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৯টি সিমকার্ড ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠন ‘বি কোম্পানির’ লোগো সম্বলিত ৫টি গেঞ্জি উদ্ধার করা হয়।
গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে দক্ষিণ টুটপাড়া বড় খালপাড় এলাকায় যুবলীগ কর্মী মোঃ ইসমাইলকে (৩২) গুলি করে হত্যা করা হয়।
এ বিষয়ে খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শফিকুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “সন্ত্রাসী ফারদিন খানকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলাম। গতকাল রোববার বিকেলে টুটপাড়া মেইনরোডে পুলিশের জালে গ্রেপ্তার হয় সে। পরবর্তীতে তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই রাত সাড়ে ১২টার কিছুক্ষণ পর লবণচরা থানা এলাকা থেকে অপর দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।”
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, “রায়হান মোল্লার কাছ থেকে বিদেশী পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি এবং সাইফুল হাওলাদারের কাছ থেকে শটগানের তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানায়, আসামি ফারদিন খানের বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা, ১টি অস্ত্র , ১ মাদক ও ১ অন্যান্য মামলা রয়েছে। সব বিষয় খাতিয়ে দেখা হচ্ছে।
খুলনা সদর থানায় আয়োজিত একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো: রোজাউর রহমান বলেন, “মাদক কারবারির ও এলাকার আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইসমাইলকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। গ্রেপ্তার হওয়া সন্ত্রাসীরা নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ঘনিষ্ঠ সহযোগি। সন্ত্রাসীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর সাথে রাজনৈতিক কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্ঠতা নেই। যদি থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”