প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে রূপসা ও খুলনাজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ঐতিহাসিক এই সফরকে স্মরনীয় ও সাফল্যমণ্ডিত করতে মহানগর ও জেলা বিএনপি এবং স্থানীয় প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আগামী বৃহস্পতিবার নেতাকে বরণ করে নিতে দিনরাত কাজ করে চলেছেন তারা।
তারেক রহমান বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় দিনব্যাপী একাধিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে খুলনা মহানগরীকে এক ভিন্নরূপ দেওয়া হয়েছে। জাঁকজমকপূর্ণ সাজসজ্জার বদলে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও খুলনা সিটি করপোরেশন। নগরীর সড়কগুলো ঝকঝকে করার পাশাপাশি দেয়ালে শোভা পাচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন মনীষীর গ্রাফিতি। কেডি ঘোষ ও হাজী মহসীন রোডসহ বিভিন্ন সড়কে শোভা পাচ্ছে ব্যানার ও তোরণ।
বিএনপি নেতাদের লক্ষ্য অতিরিক্ত ব্যানার-ফেস্টুন না টাঙিয়ে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রূপসার কুদির বটতলা থেকে শুরু করে রূপসা বাইপাস ও শেরে বাংলা রোড হয়ে জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত সুদীর্ঘ সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নিয়ে লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন। সফরের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় খুলনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও সিআরসিসির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগদান এবং নতুন ২টি কনটেইনার জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর হযরত খান জাহান আলী (রঃ)-এর মাজার জিয়ারত শেষে দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন।
বিকেল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এখান থেকেই একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার সূচনা হবে, যেখানে ইতিমধ্যে নিবন্ধিত প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার তরুণ-তরুণী অংশ নিচ্ছেন। কর্মসূচি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।