চরচা প্রতিবেদক

সন্ত্রাসী দমন আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না। এদিন একই মামলায় জামিন পান সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মবিন ও বিচারপতি সগির হোসেন বেঞ্চে তাদের জামিন দেন।
জামিন আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী ও তার ভাই কাদের সিদ্দিকী। কাদের সিদ্দিকী জানান, আদালতের প্রতি তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। মিথ্যা মামলায় যারা গ্রেপ্তার রয়েছে এসময় তাদের মুক্তিও চান তিনি।
এদিকে, লতিফ সিদ্দিকীর জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মঞ্চ-৭১’ নামের সংগঠনের একটি অনুষ্ঠান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২৯ আগস্ট একই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মঞ্জুরুল আলম পান্না, হাফিজুর রহমান কার্জন ও মো. আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ মোট ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সন্ত্রাসী দমন আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না। এদিন একই মামলায় জামিন পান সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মবিন ও বিচারপতি সগির হোসেন বেঞ্চে তাদের জামিন দেন।
জামিন আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী ও তার ভাই কাদের সিদ্দিকী। কাদের সিদ্দিকী জানান, আদালতের প্রতি তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। মিথ্যা মামলায় যারা গ্রেপ্তার রয়েছে এসময় তাদের মুক্তিও চান তিনি।
এদিকে, লতিফ সিদ্দিকীর জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মঞ্চ-৭১’ নামের সংগঠনের একটি অনুষ্ঠান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২৯ আগস্ট একই মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মঞ্জুরুল আলম পান্না, হাফিজুর রহমান কার্জন ও মো. আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ মোট ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।