নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে দগ্ধ পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীর মধ্যে লামিয়া (১৩) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিয়া (১১) ও জিদনী (১৪) নামে আরও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দগ্ধ হওয়ার পর তার শরীরের প্রায় ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়। পরে তাকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সে মারা যায়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অপর দুই শিক্ষার্থী আছিয়া ও সুমাইয়ার শরীর তুলনামূলক কম দগ্ধ হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে রেখে তাদের চিকিৎসা চলছে।
গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে দগ্ধ হয় পাঁচ শিক্ষার্থী।
মাদরাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্রী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদরাসার ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা দগ্ধ হয়েছে।
ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।