চরচা ডেস্ক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, প্রাণঘাতী হান্টা ভাইরাস ও ইবোলার প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী ‘বিপজ্জনক ও বিভাজনমূলক’ সময়ের সর্বশেষ সংকট মাত্র।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার জেনেভায় সংস্থাটির বার্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে ডব্লিউএইচও প্রধান এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
তেদরোস বলেন, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে নতুন ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের শেষে এটিকে আন্তর্জাতিক জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন তিনি। পাশাপাশি এমভি হন্ডিয়াস ক্রুজ জাহাজে বিরল হান্টা ভাইরাস সংক্রমণও উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে জানান তেদরোস।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমাবেশে ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, “এই দুটি ঘটনা আমাদের অস্থির বিশ্বের সর্বশেষ সংকটমাত্র।”
তেদরোস বলেন, “সংঘাত, অর্থনৈতিক সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সহায়তা কমে যাওয়া পর্যন্ত সব মিলিয়ে আমরা এখন কঠিন, বিপজ্জনক ও বিভক্ত সময়ের মধ্যে বাস করছি।”
এদিকে, চলতি বছরের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন সংস্থাটি অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন সহায়তা প্রত্যাহার ঘোষণা এবং বড় ধরনের তহবিল কমে যাওয়ার কারণে ডব্লিউএইচও দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সুইজারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এলিসাবেথ বাউমে-শ্নাইডার তার ভাষণে উল্লেখ করেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট প্রায় ২১ শতাংশ বা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার কমানো হয়েছে। শত শত কর্মী চাকরি হারিয়েছেন ও একাধিক কর্মসূচি সংকুচিত করা হয়েছে। তবে সংকটের মধ্যেও সংস্থাটি বড় ধরনের সংস্কার করতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।"
এ সময় জেনেভা গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটের গ্লোবাল হেলথ সেন্টারের সহ-পরিচালক সুয়েরি মুন বলেন, হান্টা ভাইরাস সংকট প্রমাণ করে যে, ‘কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য, নিরপেক্ষ ও পর্যাপ্ত অর্থায়ন ডব্লিউএইচও’র প্রয়োজন রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, প্রাণঘাতী হান্টা ভাইরাস ও ইবোলার প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী ‘বিপজ্জনক ও বিভাজনমূলক’ সময়ের সর্বশেষ সংকট মাত্র।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার জেনেভায় সংস্থাটির বার্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে ডব্লিউএইচও প্রধান এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
তেদরোস বলেন, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে নতুন ইবোলা প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের শেষে এটিকে আন্তর্জাতিক জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন তিনি। পাশাপাশি এমভি হন্ডিয়াস ক্রুজ জাহাজে বিরল হান্টা ভাইরাস সংক্রমণও উদ্বেগ বাড়িয়েছে বলে জানান তেদরোস।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমাবেশে ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, “এই দুটি ঘটনা আমাদের অস্থির বিশ্বের সর্বশেষ সংকটমাত্র।”
তেদরোস বলেন, “সংঘাত, অর্থনৈতিক সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে সহায়তা কমে যাওয়া পর্যন্ত সব মিলিয়ে আমরা এখন কঠিন, বিপজ্জনক ও বিভক্ত সময়ের মধ্যে বাস করছি।”
এদিকে, চলতি বছরের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন সংস্থাটি অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন সহায়তা প্রত্যাহার ঘোষণা এবং বড় ধরনের তহবিল কমে যাওয়ার কারণে ডব্লিউএইচও দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সুইজারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এলিসাবেথ বাউমে-শ্নাইডার তার ভাষণে উল্লেখ করেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট প্রায় ২১ শতাংশ বা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার কমানো হয়েছে। শত শত কর্মী চাকরি হারিয়েছেন ও একাধিক কর্মসূচি সংকুচিত করা হয়েছে। তবে সংকটের মধ্যেও সংস্থাটি বড় ধরনের সংস্কার করতে সক্ষম হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।"
এ সময় জেনেভা গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটের গ্লোবাল হেলথ সেন্টারের সহ-পরিচালক সুয়েরি মুন বলেন, হান্টা ভাইরাস সংকট প্রমাণ করে যে, ‘কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য, নিরপেক্ষ ও পর্যাপ্ত অর্থায়ন ডব্লিউএইচও’র প্রয়োজন রয়েছে।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।