চরচা প্রতিবেদক

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুর নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার একটি অটোরিকশা গ্যারেজে ‘দুষ্টামির ছলে’ শিশুটির পায়ুপথে উচ্চগতিতে বাতাস প্রবেশ করানো হয়। এতে গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এইচআরএসএস বলেছে, এমন নৃশংস ও অমানবিক ঘটনা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবতা ও সভ্যতার বিরুদ্ধে গভীর আঘাত।
সংগঠনটি জানায়, দেশে এখনো শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি এবং সামাজিক সচেতনতার অভাবের কারণেই এ ধরনের ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে।
এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে দেশে ৫১৯ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৫ জন নিহত এবং ৩২৪ জন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
বিবৃতিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানায়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ ও মানসিক সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।
শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে কঠোর নজরদারি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং গ্যারেজসহ ঝুঁকিপূর্ণ কর্মস্থলে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এইচআরএসএস। সংগঠনটির মতে, শুধু বিচার নয়, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ সম্ভব।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুর নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার একটি অটোরিকশা গ্যারেজে ‘দুষ্টামির ছলে’ শিশুটির পায়ুপথে উচ্চগতিতে বাতাস প্রবেশ করানো হয়। এতে গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এইচআরএসএস বলেছে, এমন নৃশংস ও অমানবিক ঘটনা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি মানবতা ও সভ্যতার বিরুদ্ধে গভীর আঘাত।
সংগঠনটি জানায়, দেশে এখনো শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি এবং সামাজিক সচেতনতার অভাবের কারণেই এ ধরনের ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে।
এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে দেশে ৫১৯ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৫ জন নিহত এবং ৩২৪ জন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
বিবৃতিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানায়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ ও মানসিক সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।
শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে কঠোর নজরদারি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং গ্যারেজসহ ঝুঁকিপূর্ণ কর্মস্থলে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এইচআরএসএস। সংগঠনটির মতে, শুধু বিচার নয়, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ সম্ভব।