চরচা প্রতিবেদক

ট্রেডিং কোম্পানির নাম ও লোগো নকল করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎকারী একটি প্রতারক চক্রের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি)।
গতকাল বুধবার রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডর সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম। পরে তাকে মোহাম্মদপুর থানার একটি প্রতারণা মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়ার বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
জসীম উদ্দিন খান জানান, প্রতারক চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লোভনীয় বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলত। তারা একটি নামী ট্রেডিং কোম্পানির নাম ও লোগো ব্যবহার করে বিনিয়োগে নিশ্চিত মুনাফার প্রলোভন দেখাত।
গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে একটি আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে এক ভুক্তভোগী চক্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর প্রতারকরা বিশ্বব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা ও খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তার আস্থা অর্জন করে।
সিআইডি জানায়, এআই-নির্ভর সফটওয়্যারের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে নিশ্চিত লাভের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করে প্রথমে স্বল্প বিনিয়োগে কিছু লাভ দেখানো হয়, যাতে তিনি বেশি টাকা বিনিয়োগ করেন।
এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ধাপে ধাপে মোট ২১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। পরে আরও বড় শেয়ার বরাদ্দের কথা বলে অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।
পরে প্রযুক্তিগত ও তথ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে সিআইডি তাজুলকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সিআইডি আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল ইসলাম প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্তে প্রতারণার অর্থ তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবেও স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

ট্রেডিং কোম্পানির নাম ও লোগো নকল করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎকারী একটি প্রতারক চক্রের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি)।
গতকাল বুধবার রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডর সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম। পরে তাকে মোহাম্মদপুর থানার একটি প্রতারণা মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়ার বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
জসীম উদ্দিন খান জানান, প্রতারক চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লোভনীয় বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলত। তারা একটি নামী ট্রেডিং কোম্পানির নাম ও লোগো ব্যবহার করে বিনিয়োগে নিশ্চিত মুনাফার প্রলোভন দেখাত।
গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে একটি আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে এক ভুক্তভোগী চক্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর প্রতারকরা বিশ্বব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা ও খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তার আস্থা অর্জন করে।
সিআইডি জানায়, এআই-নির্ভর সফটওয়্যারের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে নিশ্চিত লাভের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করে প্রথমে স্বল্প বিনিয়োগে কিছু লাভ দেখানো হয়, যাতে তিনি বেশি টাকা বিনিয়োগ করেন।
এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ধাপে ধাপে মোট ২১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। পরে আরও বড় শেয়ার বরাদ্দের কথা বলে অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।
পরে প্রযুক্তিগত ও তথ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে সিআইডি তাজুলকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সিআইডি আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাজুল ইসলাম প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্তে প্রতারণার অর্থ তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবেও স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, চলমান বৃত্তি পরীক্ষাটি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যেকোনো কারণে তারা নিতে পারেনি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।