প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের পর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে তিন লক্ষাধিক চাকরিপ্রত্যাশীর এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ও যুগ্মসচিব ডি এম আতিকুর রহমান পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পরীক্ষার নতুন তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় মতিঝিল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কলোনি উচ্চবিদ্যালয়, বালক উচ্চবিদ্যালয় ও বাংলা কলেজ খিলগাঁও মডেল কলেজ, মতিঝিলের শাপলা চত্বর, মিরপুরের টেকনিক্যাল সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
শাপলা চত্বরে আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক পরিক্ষার্থী চরচাকে বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব আমরা আগের রাতেই শুনেছি। তাও আমরা এই আশা করে পরীক্ষা দিতে এসেছিলাম যে কর্তৃপক্ষ কোনো একটা ব্যবস্থা নিবে। কিন্তু এখন দেখি পরীক্ষাই বাতিল করে দিয়েছে। ঢাকার বাইরে থেকে আমরা যারা এসেছি, দুই দিন পর আবার ঢাকায় আসতে হলে ভোগান্তি হবে।”
মূলত পরীক্ষার আগের রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি ছড়িয়ে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, নিয়োগ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ কর্মকর্তা ও তার আত্মীয়সহ একটি বড় চক্র এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। চক্রটি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে জনপ্রতি ২৫ লাখ টাকার চুক্তি করে সারারাত গোপন স্থানে তাদের প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করিয়েছে বলে ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়।
তবে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এসব গুরুতর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।