চরচা ডেস্ক

দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬ শিশু।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫৪ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩ শিশু মারা গেছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪৭ শিশু মারা গেছে।
এ ছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮১৮। এই সময়ে ৭৬১ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৯১ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯২ হাজার ৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতিমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬ শিশু।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫৪ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩ শিশু মারা গেছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪৭ শিশু মারা গেছে।
এ ছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮১৮। এই সময়ে ৭৬১ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৯১ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯২ হাজার ৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতিমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।