চরচা প্রতিবেদক

চীনও চমকে গিয়েছিল পিটার বাটলারের চমকে!
চীনের অস্ট্রেলীয় কোচ আন্তে মিলিচিচও ম্যাচ শেষে স্বীকার করেছেন নিজের চমকে যাওয়ার কথা। তিনি নাকি সবচেয়ে অবাক হয়েছেন খেলোয়াড় তালিকায় বাংলাদেশের গোলকিপারের নাম দেখে। অস্ট্রেলীয় কোচ তো অবাক হবেন-ই। অবাক হয়েছেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের গোলবারে রুপনা চাকমাকে দেখে অভ্যস্ত সবাই। অনেক দিন ধরেই। বয়সভিত্তিক দলের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে রুপনা বরাবরই বাংলাদেশের গোলপোস্টের নিচে ভরসা। এশিয়ান কাপেও দলের এক নম্বর গোলকিপার রুপনাই। কিন্তু সবাইকে ভড়কে দিয়ে চীনের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের অভিষেক ম্যাচে বড় বাজি খেললেন বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ। খেলিয়ে দিলেন দ্বিতীয় গোলরক্ষক মিলি আক্তারকে। আর সেই বাজিতে জয়ী কোচ। দুর্দান্ত খেলে মিলি কোচকে ফেলে দিয়েছেন মধুর সমস্যায়। যে সমস্যায় পড়তে চান সব কোচই। এখন জাতীয় দলের গোলবারে থাকছেন কে? মিলি? নাকি রুপনা!
মিলিকে সেভাবে মাঠে দেখেনি কেউই। রুপনার বদলি হিসেবে বরং সবাই স্বর্না রানী মন্ডলকেই মনে করছিল সবাই। জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের গোলকিপার স্বর্না। সে হিসেবে মিলি অনেকটাই অখ্যাত। ময়মনসিংহের নান্দাইল জেলার এই গোলকিপার নিজের অভিষেক ম্যাচে স্টার মার্ক পেয়েই পাশ। সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে গ্লাভস হাতে তিনি ছিলেন দুর্দান্ত।
মিলিকে কী খেলানোর কথা হঠাৎ করেই মনে হয়েছে বাটলারের? প্রশ্নটা আসছেই। তবে পরিকল্পনাটা নাকি বেশ আগের। কমপক্ষে দুই মাসের পুরোনো। বাংলাদেশ দলের গোলকিপিং কোচ মাসুদ আহমেদ সিডনি থেকে বাফুফের পাঠানো এক ভিডিও-বার্তায় সেটি জানিয়েছেন, “মিলিকে খেলানোর পরিকল্পনা করা হয় দুই মাস আগে। চীনের খেলোয়াড়দের উচ্চতা বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত। আর সেটা হয়েছে হেড কোচের সঙ্গে আলোচনা করেই। সে অনুযায়ী অনুশীলনও করানো হয়েছে ওকে। লিগের মধ্যেও মিলিকে ট্রেনিং করানো হয়েছে। সে চীনের বিপক্ষে দারুণ খেলে প্রমাণ করেছে নিজের সামর্থ্য।”
মিলি ২০২৪-এর অক্টোবরে নেপালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দলেও ছিলেন। টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নারী ফুটবল দল পায় একুশে পদকও। মিলিও সেই একুশে পদকের অংশীদার। তবে দলের সঙ্গে থাকলেও মাঠে নামাটা হচ্ছিল না। তবে ভেতরে ভেতরে চলছিল প্রস্তুতি। কোচ বাটলারের পছন্দের তালিকাতেই ছিলেন। অভিষেকটা হলো বড় মঞ্চে—এশিয়ান কাপের মঞ্চে।
চীনের অস্ট্রেলীয় কোচ আন্তে মিলিচিচ মঙ্গলবার ম্যাচশেষে মিলির প্রশংসা করেছেন আলাদাভাবেই, “আমি সবচেয়ে অবাক হয়েছি বাংলাদেশের গোলকিপার সিলেকশনে। যাকে খেলানো হয়েছে, সে দারুণ খেলেছে। বাংলাদেশ দলে কয়েকজন দারুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে (ঋতু, মনিকা, মারিয়াদের জার্সি নম্বর উল্লেখ করে)। নতুন গোলকিপার সেই দলেই পড়ে।”
মিলি নান্দাইলের চণ্ডীপাশা গ্রামের মেয়ে। বাবা শামসুল হক ফল ব্যবসায়ী, মা আনোয়ারা বেগম গৃহিনী। বড় মঞ্চ নতুন তারকার জন্ম দেয়। মিলি আক্তার বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ অভিযানে বড় এক আবিষ্কারই।

চীনও চমকে গিয়েছিল পিটার বাটলারের চমকে!
চীনের অস্ট্রেলীয় কোচ আন্তে মিলিচিচও ম্যাচ শেষে স্বীকার করেছেন নিজের চমকে যাওয়ার কথা। তিনি নাকি সবচেয়ে অবাক হয়েছেন খেলোয়াড় তালিকায় বাংলাদেশের গোলকিপারের নাম দেখে। অস্ট্রেলীয় কোচ তো অবাক হবেন-ই। অবাক হয়েছেন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের গোলবারে রুপনা চাকমাকে দেখে অভ্যস্ত সবাই। অনেক দিন ধরেই। বয়সভিত্তিক দলের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে রুপনা বরাবরই বাংলাদেশের গোলপোস্টের নিচে ভরসা। এশিয়ান কাপেও দলের এক নম্বর গোলকিপার রুপনাই। কিন্তু সবাইকে ভড়কে দিয়ে চীনের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের অভিষেক ম্যাচে বড় বাজি খেললেন বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ। খেলিয়ে দিলেন দ্বিতীয় গোলরক্ষক মিলি আক্তারকে। আর সেই বাজিতে জয়ী কোচ। দুর্দান্ত খেলে মিলি কোচকে ফেলে দিয়েছেন মধুর সমস্যায়। যে সমস্যায় পড়তে চান সব কোচই। এখন জাতীয় দলের গোলবারে থাকছেন কে? মিলি? নাকি রুপনা!
মিলিকে সেভাবে মাঠে দেখেনি কেউই। রুপনার বদলি হিসেবে বরং সবাই স্বর্না রানী মন্ডলকেই মনে করছিল সবাই। জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের গোলকিপার স্বর্না। সে হিসেবে মিলি অনেকটাই অখ্যাত। ময়মনসিংহের নান্দাইল জেলার এই গোলকিপার নিজের অভিষেক ম্যাচে স্টার মার্ক পেয়েই পাশ। সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে গ্লাভস হাতে তিনি ছিলেন দুর্দান্ত।
মিলিকে কী খেলানোর কথা হঠাৎ করেই মনে হয়েছে বাটলারের? প্রশ্নটা আসছেই। তবে পরিকল্পনাটা নাকি বেশ আগের। কমপক্ষে দুই মাসের পুরোনো। বাংলাদেশ দলের গোলকিপিং কোচ মাসুদ আহমেদ সিডনি থেকে বাফুফের পাঠানো এক ভিডিও-বার্তায় সেটি জানিয়েছেন, “মিলিকে খেলানোর পরিকল্পনা করা হয় দুই মাস আগে। চীনের খেলোয়াড়দের উচ্চতা বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত। আর সেটা হয়েছে হেড কোচের সঙ্গে আলোচনা করেই। সে অনুযায়ী অনুশীলনও করানো হয়েছে ওকে। লিগের মধ্যেও মিলিকে ট্রেনিং করানো হয়েছে। সে চীনের বিপক্ষে দারুণ খেলে প্রমাণ করেছে নিজের সামর্থ্য।”
মিলি ২০২৪-এর অক্টোবরে নেপালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দলেও ছিলেন। টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নারী ফুটবল দল পায় একুশে পদকও। মিলিও সেই একুশে পদকের অংশীদার। তবে দলের সঙ্গে থাকলেও মাঠে নামাটা হচ্ছিল না। তবে ভেতরে ভেতরে চলছিল প্রস্তুতি। কোচ বাটলারের পছন্দের তালিকাতেই ছিলেন। অভিষেকটা হলো বড় মঞ্চে—এশিয়ান কাপের মঞ্চে।
চীনের অস্ট্রেলীয় কোচ আন্তে মিলিচিচ মঙ্গলবার ম্যাচশেষে মিলির প্রশংসা করেছেন আলাদাভাবেই, “আমি সবচেয়ে অবাক হয়েছি বাংলাদেশের গোলকিপার সিলেকশনে। যাকে খেলানো হয়েছে, সে দারুণ খেলেছে। বাংলাদেশ দলে কয়েকজন দারুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে (ঋতু, মনিকা, মারিয়াদের জার্সি নম্বর উল্লেখ করে)। নতুন গোলকিপার সেই দলেই পড়ে।”
মিলি নান্দাইলের চণ্ডীপাশা গ্রামের মেয়ে। বাবা শামসুল হক ফল ব্যবসায়ী, মা আনোয়ারা বেগম গৃহিনী। বড় মঞ্চ নতুন তারকার জন্ম দেয়। মিলি আক্তার বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ অভিযানে বড় এক আবিষ্কারই।

চিকিৎসকদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দায়িত্বে অবহেলা বরদাশত করা হবে না। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্টসহ বিভিন্ন পদে এক লাখ জনবল নিয়োগের ঘোষণা দেন তিনি। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই নারী হবেন বলেও জানান মন্ত্রী।