চরচা প্রতিবেদক

ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামী সায়েদ আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম জানান, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সায়েদকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় সায়েদ ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সায়েদ আহমেদ ও রেহানা বেগম। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকা এবং রেহানার নামে থাকা বাড়ি লিখে দিতে মারধর করতেন সায়েদ।
বিবরণে আরও জানা যায়, ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার মা রেজিয়া বেগম কামরাঙ্গীরচরে মেয়ের নামে কিনে দেওয়া বাড়িতে যান। সেখানে রেহানার নিথর দেহ দেখতে পান রেজিয়া বেগম।
কুলসুমা নামে এক স্থানীয় রেজিয়াকে জানান, যৌতুক হিসেবে বাড়ি লিখে দিতে রেহানার সঙ্গে ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন সকাল থেকে সায়েদ ও তার ভাই শফি আহমেদ রেহানাকে মারধর করেছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সায়েদ ও শফি জানিয়েছিলেন, রেহানা স্ট্রোক করেছে। তাকে তাড়াহুড়ো করে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। রেজিয়া কামরাঙ্গীরচর থানায় যান মামলা করতে গেলেও মামলা নেওয়া হয়নি। পরে ৯ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে সায়েদ ও শফির নামে মামলা করেন তিনি।
এরপর অভিযোগের বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ১৬ অক্টোবর রেহানার লাশ কবর থেকে তুলে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর জন্য ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা দেয় কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ। রেজিয়া এ বিষয়ে নারাজি দাখিল করলে আদালত সিআইডি পুলিশকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়।
সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক লুৎফর রহমান মামলাটি তদন্ত করে সায়েদকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন। তবে শফির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাননি তিনি। এরপর সায়েদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের দায়ে স্বামী সায়েদ আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রাশেদুল ইসলাম জানান, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সায়েদকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের ছেলেকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় সায়েদ ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ জুন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সায়েদ আহমেদ ও রেহানা বেগম। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকা এবং রেহানার নামে থাকা বাড়ি লিখে দিতে মারধর করতেন সায়েদ।
বিবরণে আরও জানা যায়, ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেহানার মা রেজিয়া বেগম কামরাঙ্গীরচরে মেয়ের নামে কিনে দেওয়া বাড়িতে যান। সেখানে রেহানার নিথর দেহ দেখতে পান রেজিয়া বেগম।
কুলসুমা নামে এক স্থানীয় রেজিয়াকে জানান, যৌতুক হিসেবে বাড়ি লিখে দিতে রেহানার সঙ্গে ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন সকাল থেকে সায়েদ ও তার ভাই শফি আহমেদ রেহানাকে মারধর করেছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সায়েদ ও শফি জানিয়েছিলেন, রেহানা স্ট্রোক করেছে। তাকে তাড়াহুড়ো করে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। রেজিয়া কামরাঙ্গীরচর থানায় যান মামলা করতে গেলেও মামলা নেওয়া হয়নি। পরে ৯ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে সায়েদ ও শফির নামে মামলা করেন তিনি।
এরপর অভিযোগের বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ১৬ অক্টোবর রেহানার লাশ কবর থেকে তুলে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর জন্য ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা দেয় কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ। রেজিয়া এ বিষয়ে নারাজি দাখিল করলে আদালত সিআইডি পুলিশকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়।
সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক লুৎফর রহমান মামলাটি তদন্ত করে সায়েদকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন। তবে শফির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাননি তিনি। এরপর সায়েদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।