জয়বাংলা স্লোগান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর পল্টনের মুক্তি ভবনে সিপিবির অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় যুব ইউনিয়নের দুজন সদস্য আহত হয়েছেন এমন দাবি করছে সিপিবি। তবে পুলিশ বলছে, কেউ আহত হয়নি ও কোনো কিছু ভাংচুর করা হয়নি। আহতরা হলেন- ইরান মোল্লা ও সোহেল ফকির।
সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মঞ্জুর মঈন চরচাকে বলেন, “রাত ১০টার দিকে পার্টি অফিসে থাকা কয়েকজন ফোন দিয়ে জানায় দেড়শোর মত লোক লাঠি হাতে অফিসের সামনে জড়ো হয়েছে। তারা অফিসের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করছে। তখন আমরা সকলে পার্টি অফিসে যাই। আমি হামলায় অংশ নেওয়া কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারি তারা সরকার দলীয় লোক। তারা দাবি করে আমাদের অফিসে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোকজন মিটিং করছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন কিভাবে আমাদের অফিসে মিটিং করবে?”
জয়বাংলা স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে হামলা হয়েছে এমন দাবি ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গতকাল ধানমন্ডি ২৭ এ কয়েকটা সাংস্কৃতিক সংগঠন মিছিল করেছিল। যার সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ওখানে আমাদের যুব ইউনিয়নের সদস্য দীপক শীল অংশ নেন। পরে তাকে পুলিশ আটক করে। সূত্রাপুর থানার পার্টির সদস্যরা তাকে ছাড়িয়ে আনেন। হামলাকারীদের অভিযোগ দীপক শীলকে ছাড়িয়ে আনতে পার্টির সদস্যরা নাকি জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিল। তবে এই ধরনের কিছুই হয়নি।”
মঞ্জুর মঈন বলেন, “হামলার পর পুলিশ এসে পল্টনের পার্টি অফিসে সবার সাথে কথা বলে। কার কি পদ জানতে চায়। যদি আওয়ামী লীগের কেউ থাকতো পুলিশ তো তাকে শনাক্ত করতে পারতো।”
পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “সিপিবি কার্যালয়ের সামনে একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে সেখানে কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।”