সাভারে যে মহিলা মাদরাসায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল সেখানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ রোববার প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তারা।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ওই মহিলা মাদরাসার প্রধানের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠে। ঘটনাটি জানাজানি হলে উত্তেজিত জনতা রাতে মাদরাসা ও শিক্ষকের বাসভবন ঘেরাও করে অভিযুক্তের স্ত্রী ও ছেলেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ওই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করে ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে ওই শিক্ষকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে কৌশলে পালিয়ে যান ওই শিক্ষক।
হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান বলেন, “মাদরাসাতে যে তাণ্ডব চালানো হয়েছে তাতে কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই আইনি পন্থা।”
হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, “মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা আব্দুল বারীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অন্যায়কারীর অন্যায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হলে তার যথোপযুক্ত শাস্তির জন্য আমরা উদ্যোগী হব। এ দেশে ইসলামী আইনের শাস্তি হয় না, আমরা দাবি করব এক্ষেত্রে ইসলামী আইনের কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হোক।”
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নিরপরাধ দ্বীনদার মহিলাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।”