নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে টানা সাত দিনের বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টি পরিস্থিতি ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা কমেছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের দেওয়া তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার ১২২টি ইউনিয়নে ৭১ হাজার ২০০ পরিবারের ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩১০ জন্য এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। জেলার ৪১৫ টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনো আশ্রয় নিয়ে আছে ১৬ হাজার ৮২১ জন।
টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার মধ্যে সাতাকনিয়া ও বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। প্রশাসনের হিসেবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ৮৫ শতাংশ এবং বাঁশখালীর ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৬০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৩৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১৩২০ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৪৫ টি সেতু ও কালর্ভাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলা সোমবার সকালে পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তার সাথে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত ছিলেন।
গত ৫ জুলাই থেকে চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় টানা ভারি বর্ষণ শুরু হয়। মঙ্গলবারে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
বাঁশখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি আঁকন চরচাকে বলেন, “সকাল থেকেই আবহাওয়া ভালো। সকালের দিকে হালকা বৃষ্টি হলেও দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি নেই। একইসাথে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকেও লোকজন চলে যেতে শুরু করেছে।”
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের হিসেব অনুযায়ী, সোমবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় নগরীতে ১১৫ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে টানা সাত দিনের বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টি পরিস্থিতি ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা কমেছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের দেওয়া তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার ১২২টি ইউনিয়নে ৭১ হাজার ২০০ পরিবারের ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩১০ জন্য এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। জেলার ৪১৫ টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনো আশ্রয় নিয়ে আছে ১৬ হাজার ৮২১ জন।
টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার মধ্যে সাতাকনিয়া ও বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। প্রশাসনের হিসেবে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ৮৫ শতাংশ এবং বাঁশখালীর ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৬০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৩৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১৩২০ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৪৫ টি সেতু ও কালর্ভাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলা সোমবার সকালে পরিদর্শন করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় তার সাথে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত ছিলেন।
গত ৫ জুলাই থেকে চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় টানা ভারি বর্ষণ শুরু হয়। মঙ্গলবারে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
বাঁশখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি আঁকন চরচাকে বলেন, “সকাল থেকেই আবহাওয়া ভালো। সকালের দিকে হালকা বৃষ্টি হলেও দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি নেই। একইসাথে উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকেও লোকজন চলে যেতে শুরু করেছে।”
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের হিসেব অনুযায়ী, সোমবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় নগরীতে ১১৫ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।