রাজশাহী প্রতিনিধি

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ও পরের সব প্রাণহানির ঘটনায় আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, ওই সময় পুলিশসহ অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং আইনে যা প্রযোজ্য, তা-ই কার্যকর করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে একটি সেরা নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তরুণদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, অকারণে সড়ক অবরোধ বা আন্দোলনে নামা ঠিক নয়, এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষিত বেকারত্ব ও অর্থ পাচারের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি তেল সংকট ও কালোবাজারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতিরিক্ত মুনাফার জন্য তেল মজুত বা বিক্রি করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
আইজিপি আরও জানান, ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোকে ‘স্মার্ট ও সেফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ চলছে।
জামিন পাওয়ার পরও আওয়ামী লীগ নেতাদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন, কারণ বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানান।
স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে পারলে বিনিয়োগ বাড়বে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলেও জানান আইজিপি আলী হোসেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ও পরের সব প্রাণহানির ঘটনায় আইন অনুযায়ী তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, ওই সময় পুলিশসহ অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং আইনে যা প্রযোজ্য, তা-ই কার্যকর করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে একটি সেরা নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তরুণদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, অকারণে সড়ক অবরোধ বা আন্দোলনে নামা ঠিক নয়, এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষিত বেকারত্ব ও অর্থ পাচারের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি তেল সংকট ও কালোবাজারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতিরিক্ত মুনাফার জন্য তেল মজুত বা বিক্রি করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
আইজিপি আরও জানান, ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোকে ‘স্মার্ট ও সেফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ চলছে।
জামিন পাওয়ার পরও আওয়ামী লীগ নেতাদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন, কারণ বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানান।
স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে পারলে বিনিয়োগ বাড়বে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলেও জানান আইজিপি আলী হোসেন।

আজ পর্যন্ত পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি ডলির আত্মহননের কারণ। একইভাবে জানা যায়নি, কীভাবে মারা গেলেন আনোয়ার হোসেন। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর রাজধানীর পান্থপথে একটি হোটেল থেকে এই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী সিনেমাটোগ্রাফার ও আলোকচিত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।