রাজশাহী প্রতিনিধি

বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই হাতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষাবর্ষের সূচনা হয়েছে রাজশাহীতে। তবে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বই না পৌঁছানোয় সেই আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন সরকারি প্রমথনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়।
নতুন বই পেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান হাসান জানায়, বছরের প্রথম দিনেই বই হাতে পাওয়ায় পড়াশোনার জন্য নতুনভাবে প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইশা নিশাতও নতুন বই পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, নতুন বই পাওয়ায় পড়তে আরও ভালো লাগছে।
তবে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মুখে ছিল হতাশার ছাপ। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিজ্জাতুল মুনতাহা সাদিয়া জানায়, বছরের শুরুতেই বই না পাওয়ায় মন খারাপ লাগছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম জানান, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির বই পাওয়া গেলেও সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনো সরবরাহ করা হয়নি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর ৯টি উপজেলায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত চাহিদার শতভাগ বই ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে পৌঁছেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি বই সময়ের আগেই সরবরাহ করা হয়েছে।
অন্যদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জায়েদুর রহমান জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির মোট চাহিদার বিপরীতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৮.৮১ শতাংশ বই পাওয়া গেছে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনও আসেনি, তবে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।

বছরের প্রথম দিনে নতুন পাঠ্যবই হাতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষাবর্ষের সূচনা হয়েছে রাজশাহীতে। তবে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বই না পৌঁছানোয় সেই আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন সরকারি প্রমথনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়।
নতুন বই পেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান হাসান জানায়, বছরের প্রথম দিনেই বই হাতে পাওয়ায় পড়াশোনার জন্য নতুনভাবে প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইশা নিশাতও নতুন বই পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, নতুন বই পাওয়ায় পড়তে আরও ভালো লাগছে।
তবে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মুখে ছিল হতাশার ছাপ। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিজ্জাতুল মুনতাহা সাদিয়া জানায়, বছরের শুরুতেই বই না পাওয়ায় মন খারাপ লাগছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম জানান, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির বই পাওয়া গেলেও সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনো সরবরাহ করা হয়নি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর ৯টি উপজেলায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত চাহিদার শতভাগ বই ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে পৌঁছেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি বই সময়ের আগেই সরবরাহ করা হয়েছে।
অন্যদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জায়েদুর রহমান জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির মোট চাহিদার বিপরীতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৮.৮১ শতাংশ বই পাওয়া গেছে। সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বই এখনও আসেনি, তবে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বাকি বইগুলো পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।