
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে লেখা বইয়ের চাহিদা বেড়েছে, বলছেন বই বিক্রেতারা। ভিডিও: মাহিন আরাফাত

মো. হাবিব রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ৩৮ বছর ধরে বই বিক্রি করছেন। নানা বিষয়ের বই তার কাছে পাওয়া যায়। তিনি জানালেন, বই বিক্রি কমেছে। ভিডিও: শেখ সাদিয়া বানু

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি বই সময়ের আগেই সরবরাহ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের নভেম্বরে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসানের সঞ্চালনায় এই আলোচনায় ছিলেন লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ

ইরাকের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে খ্যাত বাগদাদের ঐতিহাসিক আল-মুতানাব্বি স্ট্রিটের নিচে লুকিয়ে আছে এক অনন্য বইয়ের দোকান। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন ৬৮ বছর বয়সী এক নিবেদিতপ্রাণ মানুষ- আদনান জাফর ঘানি। তাঁর এই দোকানে আছে হাজার হাজার বইয়ের সমাহার।

রাজধানীর পুরানা পল্টনে ফুটপাতে ইমদাদ হোসেনের বইয়ের ব্যবসা । তিনি জানালেন, ক্রেতা না থাকায় বইয়ের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না। ভিডিও: মাহথির সান

রাজধানীতে ধানমন্ডি ২৭-এর বেঙ্গল বইয়ে চলছে কমিক্স ও কার্টুন মেলা।

মস্তিষ্ককে তরুণ রাখতে কোনো জটিল চিকিৎসা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে কিছু ইতিবাচক শখই যথেষ্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিকভাবে উদ্দীপক কাজ মস্তিষ্কের নিউরনের মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি করে, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়।

বইপড়ার অভ্যাসকে উৎসাহিত করতে প্রতি শুক্রবার রমনা পার্কে বসে বইপড়ার আয়োজন। ‘বাংলাদেশ রিডস’ নামের একটি সংগঠন ‘নীরবে বইপড়ার অভ্যাস’ শিরোনামে এই কর্মসূচি শুরু করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশাভ্যানে করে বই বিক্রি করেন মধু মন্ডল। এই ভ্রাম্যমাণ দোকানের নাম ‘বইপোকা’। বই ধারও দেওয়া হয়।

বাংলা একাডেমি বলছে, দৈনিক ‘প্রথম আলো’র অনলাইন ভার্সনে ৮ নভেম্বর ‘জাহানারা ইমামের দেওয়া বই বিক্রি করেছে বাংলা একাডেমি, এখন দাম হাঁকা হচ্ছে লাখ টাকা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে কিছু আংশিক সত্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই প্রতিবেদন সাধারণের সহজবোধ্য সংস্করণে প্রস্তুত করতে হবে। বই আকারে প্রকাশ করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়ে বুঝতে পারে এবং অন্যদেরও বুঝাতে পারে।”

আহমদ ছফার পর্যবেক্ষণ বনাম বর্তমান
জন্মের পর থেকেই বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আসলে এক দুষ্টচক্রের মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে যাচ্ছে কেবল। এই ঘুরপাকের শেষের কোনো শুরু আর দেখা যাচ্ছে না আদতে। ফলে এই লেখার শিরোনামে করা প্রশ্নের উত্তর জনসাধারণে খুঁজলে হয়তো একটি উত্তরই মিলবে। সেটি হলো—বিপথে!

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা