রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলেই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। তবে গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহে ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বাবলু কিশোর।
তিনি জানান, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে দুজনেরই মৃত্যু শ্বাসরোধ বা গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণে হয়েছে।
এই চিকিৎসক বলেন, “মরদেহ পরীক্ষায় যৌন নির্যাতনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ল্যাবরেটরিতে পাঠানো নমুনাতেও ধর্ষণের পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি।”
গত শনিবার রাতে রংপুরের মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার হয়।
এই ঘটনায় আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস গ্রেপ্তারের পর দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের দাবি ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় একে একে চারজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সিদ্ধার্থ এবং মুগ্ধ। আসামি দুজন সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে।