চরচা প্রতিবেদক

প্রথম দুই সেশনের ব্যাটিংয়ে অনেকটাই পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ সেশনে তাই মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দেখার বিষয় ছিল, ঠিক কত রানে গিয়ে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের সামনে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য। হাতে আরও দুই দিন থাকলেও এই ম্যাচ জিতে সিরিজ ড্র করতে হলে ইতিহাসই গড়তে হবে বাবর আজমদের।
শেষ বিকেলে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ৩৯০ রানে। ১৩৭ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মুশফিকুর। তার এই ইনিংস কার্যত ম্যাচ থেকেই ছিটকে দিয়েছে পাকিস্তানকে।
সিলেটে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ১৭৪ রানের, যা হয়েছিল ২০১৮ সালে। আর বাংলাদেশে শেষ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ৩৯৫ রানের, যা ২০২১ সালে গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশের লিড ৪০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার পরও তাই হয়তো ইনিংস ঘোষণার পথে হাঁটেননি নাজমুল হোসেন। ম্যাচে ১৮০ ওভারের বেশি সময় বাকি থাকায় পরিকল্পনা ছিল যত বেশি সম্ভব রান যোগ করা। সেই পরিকল্পনাকে সফল করেছেন মুশফিকুর রহিম। ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের নিয়ে গড়েছেন ছোট ছোট কার্যকর জুটি।
এই সময়ে খুব দ্রুত রান না এলেও পাকিস্তানের বোলারদের শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছিল, তারা ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত। কথার অস্ত্রে ঘায়েল করতে মোহাম্মদ আব্বাস, হাসান আলি, শান মাসুদরা মাঝেমধ্যে স্লেজিংয়ের আশ্রয়ও নিয়েছেন।
দিনের খেলা শেষের আগে ২ ওভারে উইকেট না হারালেও চতুর্থ দিনের সকালে চাপে থাকবে পাকিস্তানই। বাংলাদশের কাছে টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ হারের মঞ্চ যে তৈরি। নাজমুলরা কি পারবেন সেই চ্যালেঞ্জে জয়ী হতে? নাকি সিলেটে চতুর্থ দিন ভিন্ন কোনো রোমাঞ্চ উপহার দিতে পারবে?

প্রথম দুই সেশনের ব্যাটিংয়ে অনেকটাই পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ সেশনে তাই মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দেখার বিষয় ছিল, ঠিক কত রানে গিয়ে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের সামনে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য। হাতে আরও দুই দিন থাকলেও এই ম্যাচ জিতে সিরিজ ড্র করতে হলে ইতিহাসই গড়তে হবে বাবর আজমদের।
শেষ বিকেলে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ৩৯০ রানে। ১৩৭ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মুশফিকুর। তার এই ইনিংস কার্যত ম্যাচ থেকেই ছিটকে দিয়েছে পাকিস্তানকে।
সিলেটে টেস্ট ক্রিকেটে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ১৭৪ রানের, যা হয়েছিল ২০১৮ সালে। আর বাংলাদেশে শেষ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ৩৯৫ রানের, যা ২০২১ সালে গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশের লিড ৪০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার পরও তাই হয়তো ইনিংস ঘোষণার পথে হাঁটেননি নাজমুল হোসেন। ম্যাচে ১৮০ ওভারের বেশি সময় বাকি থাকায় পরিকল্পনা ছিল যত বেশি সম্ভব রান যোগ করা। সেই পরিকল্পনাকে সফল করেছেন মুশফিকুর রহিম। ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের নিয়ে গড়েছেন ছোট ছোট কার্যকর জুটি।
এই সময়ে খুব দ্রুত রান না এলেও পাকিস্তানের বোলারদের শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছিল, তারা ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত। কথার অস্ত্রে ঘায়েল করতে মোহাম্মদ আব্বাস, হাসান আলি, শান মাসুদরা মাঝেমধ্যে স্লেজিংয়ের আশ্রয়ও নিয়েছেন।
দিনের খেলা শেষের আগে ২ ওভারে উইকেট না হারালেও চতুর্থ দিনের সকালে চাপে থাকবে পাকিস্তানই। বাংলাদশের কাছে টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ হারের মঞ্চ যে তৈরি। নাজমুলরা কি পারবেন সেই চ্যালেঞ্জে জয়ী হতে? নাকি সিলেটে চতুর্থ দিন ভিন্ন কোনো রোমাঞ্চ উপহার দিতে পারবে?