চরচা প্রতিবেদক

বাংলাদেশ নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের আনা যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিসিবি এই তথ্য জানিয়েছে।
তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশনের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক তারিক উল হাকিম। কমিটির অন্য দুই সদস্য বিসিবির একমাত্র নারী পরিচালক রুবাবা দৌলা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। ব্যারিস্টার সারওয়াত বাংলাদেশ উইমেন্স স্পোর্টস ফেডারেশনের সভানেত্রীও।
অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত জাহানারা আলম সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, মঞ্জুরুল তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে যৌন হয়রানি করেছেন। আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, তারা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিয়েছেন। ২০২১ সাল থেকে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

বাংলাদেশ নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের আনা যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিসিবি এই তথ্য জানিয়েছে।
তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশনের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক তারিক উল হাকিম। কমিটির অন্য দুই সদস্য বিসিবির একমাত্র নারী পরিচালক রুবাবা দৌলা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। ব্যারিস্টার সারওয়াত বাংলাদেশ উইমেন্স স্পোর্টস ফেডারেশনের সভানেত্রীও।
অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত জাহানারা আলম সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, মঞ্জুরুল তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে যৌন হয়রানি করেছেন। আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, তারা তার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিয়েছেন। ২০২১ সাল থেকে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।