চরচা ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই এবার ভারতেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর আইন আনার দাবি জোরালো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ভারতেও ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়ে একটি বিল পেশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের লোকসভার এমপি এল.এস.কে. দেবরায়লু একটি ‘প্রাইভেট মেম্বার বিল’ পেশ করেছেন। তার মতে, ভারতীয় শিশুরা কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তই হচ্ছে না, বরং এই প্ল্যাটফর্মগুলো ভারতীয় ব্যবহারকারীদের তথ্য ব্যবহার করে নিজেদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সিস্টেম উন্নত করছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতীয়রা কার্যত বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছে ‘বিনামূল্যে ডেটা সরবরাহকারী’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের তথ্য দিয়ে তারা লাভবান হচ্ছে, অথচ এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা ভারত পাচ্ছে না।”
তিনি বলেন, আইন হলে ১৬ বছরের কম বয়সী কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলতে বা ব্যবহার করতে পারবে না। ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে (যেমন- মেটা বা গুগল) নিতে হবে। যদি দেখা যায় কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তবে তা অবিলম্বে বন্ধ করে দিতে হবে।
এ নিয়ে ১৫ পৃষ্ঠার একটি প্রস্তাব বানিয়েছেন তিনি। তবে এ ব্যাপারে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত মাসেই অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সও ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরণের পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্রিটেন, ডেনমার্ক এবং গ্রিসও বর্তমানে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
মেটা বা অ্যালফাবেটের মতো সংস্থাগুলো সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও, মেটা অতীতে জানিয়েছে যে, তারা অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণের পক্ষে। তবে ঢালাও নিষেধাজ্ঞার ফলে কিশোর-কিশোরীরা আরও অনিরাপদ ও অনিয়ন্ত্রিত সাইটের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন বাজার। প্রায় ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর এই দেশে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কোনো নির্দিষ্ট ন্যূনতম বয়স নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোট সরকারের অন্যতম শরিক দল তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) এই সাংসদের আনা বিলটি যদি আইনে পরিণত হয়, তবে তা ভারতের কয়েক কোটি কিশোর-কিশোরীর ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরণ বদলে দেবে।

বিশ্বজুড়ে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই এবার ভারতেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর আইন আনার দাবি জোরালো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ভারতেও ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়ে একটি বিল পেশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের লোকসভার এমপি এল.এস.কে. দেবরায়লু একটি ‘প্রাইভেট মেম্বার বিল’ পেশ করেছেন। তার মতে, ভারতীয় শিশুরা কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তই হচ্ছে না, বরং এই প্ল্যাটফর্মগুলো ভারতীয় ব্যবহারকারীদের তথ্য ব্যবহার করে নিজেদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সিস্টেম উন্নত করছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতীয়রা কার্যত বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছে ‘বিনামূল্যে ডেটা সরবরাহকারী’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের তথ্য দিয়ে তারা লাভবান হচ্ছে, অথচ এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা ভারত পাচ্ছে না।”
তিনি বলেন, আইন হলে ১৬ বছরের কম বয়সী কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলতে বা ব্যবহার করতে পারবে না। ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে (যেমন- মেটা বা গুগল) নিতে হবে। যদি দেখা যায় কোনো অপ্রাপ্তবয়স্কের অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তবে তা অবিলম্বে বন্ধ করে দিতে হবে।
এ নিয়ে ১৫ পৃষ্ঠার একটি প্রস্তাব বানিয়েছেন তিনি। তবে এ ব্যাপারে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত মাসেই অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সও ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরণের পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্রিটেন, ডেনমার্ক এবং গ্রিসও বর্তমানে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
মেটা বা অ্যালফাবেটের মতো সংস্থাগুলো সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও, মেটা অতীতে জানিয়েছে যে, তারা অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণের পক্ষে। তবে ঢালাও নিষেধাজ্ঞার ফলে কিশোর-কিশোরীরা আরও অনিরাপদ ও অনিয়ন্ত্রিত সাইটের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন বাজার। প্রায় ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর এই দেশে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের কোনো নির্দিষ্ট ন্যূনতম বয়স নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোট সরকারের অন্যতম শরিক দল তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) এই সাংসদের আনা বিলটি যদি আইনে পরিণত হয়, তবে তা ভারতের কয়েক কোটি কিশোর-কিশোরীর ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরণ বদলে দেবে।