চরচা ডেস্ক

বিশ্বকাপে আরেকটি থ্রিলারে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। বাধভাঙ্গা উল্লাসে মুহূর্তটি উদযাপন করেছেন মেসিরা। তবে তাদের একটি কাণ্ডকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, যা শাস্তি বা জরিমানার মুখে ফেলতে পারে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের।
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে উদযাপনের সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও জিওভানি লে সেলসোরা সমর্থকদের উদ্দেশে একটি ব্যানার তুলে ধরেন। পাশেই ছিলেন অধিনায়ক মেসি।
সেই ব্যানারে লেখা ছিল, ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার।’ এটি ছিল দীর্ঘদিনের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে নিয়ে বিরোধকে ঘিরে। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল। ৭৪ দিনের সেই যুদ্ধে প্রাণ হারান ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে আর্জেন্টাইন ছিলেন ৬৪৯ জন, আর ২৫৫ জন ছিলেন ব্রিটিশ।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে দুই দেশের ম্যাচে প্রয়াত দিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথম টেনে আনেন সেই যুদ্ধের রেশ। তারই ধারায় ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে হারিয়ে মালভিনাসকে নিজেদের দাবি করে ব্যানার তুলে ধরে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। আর এখানেই বেঁধেছে বিপত্তি।
কারণ এই ঘটনায় ফিফার পক্ষ থেকে শাস্তির ঝুঁকিও রয়েছে। ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর আগে বা পরে স্টেডিয়ামের ভেতরে রাজনৈতিক, আপত্তিকর বা বৈষম্যমূলক ব্যানার, পতাকা বা অন্য কোনো সামগ্রী প্রদর্শন করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। ফলে ফাইনালের আগেই শাস্তি পেতে পারেন লিসান্দ্রো ও লে সেলসো।
আর্জেন্টিনা দলের বিশ্বকাপে রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে বিতর্ক এবারই প্রথম নয়। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পর আর্জেন্টাইন কয়েকজন খেলোয়াড়কে উদযাপনের সময় গাইতে শোনা যায়, “মালভিনাসের জন্য, দিয়েগোর (ম্যারাডোনা) জন্য, আর লিওর শেষ বিশ্বকাপের জন্য।”

বিশ্বকাপে আরেকটি থ্রিলারে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। বাধভাঙ্গা উল্লাসে মুহূর্তটি উদযাপন করেছেন মেসিরা। তবে তাদের একটি কাণ্ডকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, যা শাস্তি বা জরিমানার মুখে ফেলতে পারে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের।
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে উদযাপনের সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও জিওভানি লে সেলসোরা সমর্থকদের উদ্দেশে একটি ব্যানার তুলে ধরেন। পাশেই ছিলেন অধিনায়ক মেসি।
সেই ব্যানারে লেখা ছিল, ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার।’ এটি ছিল দীর্ঘদিনের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে নিয়ে বিরোধকে ঘিরে। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল। ৭৪ দিনের সেই যুদ্ধে প্রাণ হারান ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে আর্জেন্টাইন ছিলেন ৬৪৯ জন, আর ২৫৫ জন ছিলেন ব্রিটিশ।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে দুই দেশের ম্যাচে প্রয়াত দিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথম টেনে আনেন সেই যুদ্ধের রেশ। তারই ধারায় ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে হারিয়ে মালভিনাসকে নিজেদের দাবি করে ব্যানার তুলে ধরে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। আর এখানেই বেঁধেছে বিপত্তি।
কারণ এই ঘটনায় ফিফার পক্ষ থেকে শাস্তির ঝুঁকিও রয়েছে। ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর আগে বা পরে স্টেডিয়ামের ভেতরে রাজনৈতিক, আপত্তিকর বা বৈষম্যমূলক ব্যানার, পতাকা বা অন্য কোনো সামগ্রী প্রদর্শন করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। ফলে ফাইনালের আগেই শাস্তি পেতে পারেন লিসান্দ্রো ও লে সেলসো।
আর্জেন্টিনা দলের বিশ্বকাপে রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে বিতর্ক এবারই প্রথম নয়। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পর আর্জেন্টাইন কয়েকজন খেলোয়াড়কে উদযাপনের সময় গাইতে শোনা যায়, “মালভিনাসের জন্য, দিয়েগোর (ম্যারাডোনা) জন্য, আর লিওর শেষ বিশ্বকাপের জন্য।”

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক আল মেহেদী বলেন, “দুপুরে এক যুবক মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছে। তার পরিবার দাবি করেছে- তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে তারা যদি এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারে, তাহলে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে।