চরচা ডেস্ক

সমঝোতা ছাড়াই ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা শেষ হয়েছে। এরপরই তেহরানের ওপর কঠোর ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পোস্ট করেছেন। ট্রাম্প-সমর্থিত সংবাদমাধ্যম ‘জাস্ট দ্য নিউজ’-এ প্রকাশিত ‘ইরান মাথা নত না করলে প্রেসিডেন্টের হাতে থাকা তুরুপের তাস: নৌ-অবরোধ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অবরোধের মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিকে চেপে ধরা সম্ভব হবে। এর ফলে ইরানের মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত চীন ও ভারতও চাপের মুখে পড়বে, কারণ দেশ দুটি ইরানি তেলের ওপর নির্ভরশীল।
এতে আরও দাবি করা হয়, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ হবে তার আগের ‘সফল অবরোধ কৌশলের’ পুনরাবৃত্তি। এর আগে গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের আগে দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করা হয়েছিল। ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপ ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে চরম চাপে ফেলেছিল।
এর আগে, ইসলামাবাদে আলোচনার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে রাজি হয়নি ইরান। তিনি বলেন, “খারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি, আর আমি মনে করি এটি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি খারাপ খবর।”
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরান সরকার জানিয়েছে, ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে দুই দেশের কারিগরি দল এখন বিস্তারিত প্রস্তাব ও ‘বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের খসড়া’ বিনিময় করছে।
পোস্টে আরও বলা হয়, কিছু বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দূরত্ব কমিয়ে আনতে আলোচনা এখন খসড়া তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

সমঝোতা ছাড়াই ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা শেষ হয়েছে। এরপরই তেহরানের ওপর কঠোর ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পোস্ট করেছেন। ট্রাম্প-সমর্থিত সংবাদমাধ্যম ‘জাস্ট দ্য নিউজ’-এ প্রকাশিত ‘ইরান মাথা নত না করলে প্রেসিডেন্টের হাতে থাকা তুরুপের তাস: নৌ-অবরোধ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অবরোধের মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিকে চেপে ধরা সম্ভব হবে। এর ফলে ইরানের মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত চীন ও ভারতও চাপের মুখে পড়বে, কারণ দেশ দুটি ইরানি তেলের ওপর নির্ভরশীল।
এতে আরও দাবি করা হয়, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ হবে তার আগের ‘সফল অবরোধ কৌশলের’ পুনরাবৃত্তি। এর আগে গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের আগে দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করা হয়েছিল। ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপ ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে চরম চাপে ফেলেছিল।
এর আগে, ইসলামাবাদে আলোচনার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে রাজি হয়নি ইরান। তিনি বলেন, “খারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি, আর আমি মনে করি এটি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি খারাপ খবর।”
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরান সরকার জানিয়েছে, ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে দুই দেশের কারিগরি দল এখন বিস্তারিত প্রস্তাব ও ‘বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের খসড়া’ বিনিময় করছে।
পোস্টে আরও বলা হয়, কিছু বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দূরত্ব কমিয়ে আনতে আলোচনা এখন খসড়া তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

বিরোধীদলীয় নেতার ‘৯১টি বিল উত্থাপন’ সংক্রান্ত বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, একাধিক সংশোধনী যুক্ত হওয়ায় কিছু অধ্যাদেশ একত্রে একটি বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে সংখ্যাগত বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্