সিলেট প্রতিনিধি

দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠেয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত হওয়ার পর উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। আজ সোমবার আদালতের এই নির্দেশনার খবর পৌঁছালে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এবং সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন উপাচার্য অধ্যাপক এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সাজেদুল করিম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টা গড়িয়ে গেলেও তারা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। শিক্ষার্থীরা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ সহ নানা স্লোগান দিয়েছে।
আন্দোলনের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রায় তিন ঘণ্টা স্থায়ী এই অবরোধে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এদিকে, নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিটকারী ভিপি পদপ্রার্থী মুমিনুর রশীদ শুভকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল হোসেন জানান, নির্বাচনের দাবিতে তারা আইনি লড়াই ও রাজপথের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষক সমাজে বিভক্তি ও গণপদত্যাগ নির্বাচন কেন্দ্র করে শাবিপ্রবির শিক্ষকদের মধ্যে চরম বিভক্তি দেখা দিয়েছে। ‘সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নেই’ এমন অভিযোগ তুলে বিএনপিপন্থী জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের আটজন নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া সংগঠনটির প্রায় ১৫০ জন শিক্ষক নির্বাচনী সব দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক’ দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থগিতাদেশ কাটিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্বতন্ত্র এক প্রার্থীর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠেয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত হওয়ার পর উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। আজ সোমবার আদালতের এই নির্দেশনার খবর পৌঁছালে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এবং সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন উপাচার্য অধ্যাপক এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সাজেদুল করিম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টা গড়িয়ে গেলেও তারা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। শিক্ষার্থীরা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ সহ নানা স্লোগান দিয়েছে।
আন্দোলনের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রায় তিন ঘণ্টা স্থায়ী এই অবরোধে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এদিকে, নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিটকারী ভিপি পদপ্রার্থী মুমিনুর রশীদ শুভকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল হোসেন জানান, নির্বাচনের দাবিতে তারা আইনি লড়াই ও রাজপথের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষক সমাজে বিভক্তি ও গণপদত্যাগ নির্বাচন কেন্দ্র করে শাবিপ্রবির শিক্ষকদের মধ্যে চরম বিভক্তি দেখা দিয়েছে। ‘সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নেই’ এমন অভিযোগ তুলে বিএনপিপন্থী জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের আটজন নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া সংগঠনটির প্রায় ১৫০ জন শিক্ষক নির্বাচনী সব দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক’ দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থগিতাদেশ কাটিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার শাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্বতন্ত্র এক প্রার্থীর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন।