চরচা প্রতিবেদক

সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে শুরু হয়েছে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান। এই অভিযানে ইতোমধ্যে চিহ্নিত কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাধ) নাজমুল হাসান।
আজ সোমবার ফজরের নামাজের পর জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ অভিযান শুরু হয়েছে, যা আগামীকাল বিকেল পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে। প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে জঙ্গল সেলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এটিই সবচেয়ে বড় অভিযান।
নাজমুল হাসান জানান, অভিযানের কৌশল হিসেবে জঙ্গল সলিমপুরের প্রতিটি প্রবেশ ও বাহিরের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হয়েছে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি, যাতে অভিযান চলাকালে কোনো চিহ্নিত অপরাধী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে।
এ ছাড়া দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী তল্লাশি চালাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে ড্রোন এবং হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশপথ থেকে নজরদারি করা হচ্ছে। এ ছাড়া মাটির নিচে বা ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে নিয়োজিত রয়েছে বিশেষজ্ঞ ডগ স্কোয়াড।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল সোমবার সকালে সংবাদমাধ্যমকে জানান, যৌথ বাহিনীর প্রায় চার হাজার সদস্য অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৫৫০ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ১ হাজার ৮০০ পুলিশ সদস্য, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র্যাব, ১২০ বিজিবি, ১৫ এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড ও তিনটি হেলিকপ্টার রিজার্ভ অংশ নিয়েছে। অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
মূলত গত ১৯ জানুয়ারি এই এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাব-৭-এর একজন নায়েব সুবেদার নিহত এবং আহত হন তিনজন। এ ঘটনার পর থেকেই সরকার এখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই কমান্ডো স্টাইলের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
নাজমুল হাসান জানান, অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে শুরু হয়েছে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান। এই অভিযানে ইতোমধ্যে চিহ্নিত কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাধ) নাজমুল হাসান।
আজ সোমবার ফজরের নামাজের পর জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ অভিযান শুরু হয়েছে, যা আগামীকাল বিকেল পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে। প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে জঙ্গল সেলিমপুর সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এটিই সবচেয়ে বড় অভিযান।
নাজমুল হাসান জানান, অভিযানের কৌশল হিসেবে জঙ্গল সলিমপুরের প্রতিটি প্রবেশ ও বাহিরের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হয়েছে স্থায়ী তল্লাশিচৌকি, যাতে অভিযান চলাকালে কোনো চিহ্নিত অপরাধী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে।
এ ছাড়া দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী তল্লাশি চালাচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে ড্রোন এবং হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশপথ থেকে নজরদারি করা হচ্ছে। এ ছাড়া মাটির নিচে বা ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে নিয়োজিত রয়েছে বিশেষজ্ঞ ডগ স্কোয়াড।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল সোমবার সকালে সংবাদমাধ্যমকে জানান, যৌথ বাহিনীর প্রায় চার হাজার সদস্য অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৫৫০ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, ১ হাজার ৮০০ পুলিশ সদস্য, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র্যাব, ১২০ বিজিবি, ১৫ এপিসি, তিনটি ডগ স্কোয়াড ও তিনটি হেলিকপ্টার রিজার্ভ অংশ নিয়েছে। অভিযানের বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
মূলত গত ১৯ জানুয়ারি এই এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাব-৭-এর একজন নায়েব সুবেদার নিহত এবং আহত হন তিনজন। এ ঘটনার পর থেকেই সরকার এখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই কমান্ডো স্টাইলের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
নাজমুল হাসান জানান, অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুরো এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, এক পর্যায়ে তিনি পুলিশকে বলেন যে তার স্বামী মারুফ নামে এক চালককে হত্যা করে ইজিবাইক ছিনতাই করে নিয়েছে। পরবর্তীতে মারুফের ইজিবাইক ভেঙে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দেয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন ফাল্গুনী খাতুন।