চরচা ডেস্ক

গাজায় শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সাতজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীগোষ্ঠী হামাস। আজ সোমবার রেড ক্রসের তত্ত্বাবধানে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, জিম্মিদের রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জিম্মিরা এখন গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস এবং ইসরায়েল সিকিউরিটি এজেন্সি বাহিনীর দিকে যাচ্ছেন।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়া সাত জিম্মি হলেন ইটান মোর, গালি বেরমান, জিভ বেরমান, মাতান আংরেস্ট,ওমরি মিরান, এলন ইহাল এবং গাই জিবোলা দালাল।
আইডিএফ বিবিসিকে আরও জানিয়েছে, তারা পরবর্তী ধাপে আরও জিম্মিদের গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত।
এদিকে, জিম্মিদের মুক্তির খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলের ‘হোস্টেজ স্কোয়ারে’ জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার ইসরায়েলি। উপস্থিত একজন ব্যক্তি বিবিসিকে জানান, তিনি দুই বছর ধরে জিম্মিদের মুক্তির জন্য প্রতি সপ্তাহে সমাবেশে যোগ দিয়ে আসছেন।

গাজায় শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সাতজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীগোষ্ঠী হামাস। আজ সোমবার রেড ক্রসের তত্ত্বাবধানে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, জিম্মিদের রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জিম্মিরা এখন গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস এবং ইসরায়েল সিকিউরিটি এজেন্সি বাহিনীর দিকে যাচ্ছেন।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়া সাত জিম্মি হলেন ইটান মোর, গালি বেরমান, জিভ বেরমান, মাতান আংরেস্ট,ওমরি মিরান, এলন ইহাল এবং গাই জিবোলা দালাল।
আইডিএফ বিবিসিকে আরও জানিয়েছে, তারা পরবর্তী ধাপে আরও জিম্মিদের গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত।
এদিকে, জিম্মিদের মুক্তির খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলের ‘হোস্টেজ স্কোয়ারে’ জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার ইসরায়েলি। উপস্থিত একজন ব্যক্তি বিবিসিকে জানান, তিনি দুই বছর ধরে জিম্মিদের মুক্তির জন্য প্রতি সপ্তাহে সমাবেশে যোগ দিয়ে আসছেন।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।