ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সুপারভাইজার সাজু এবং হেলপার মাহবুব আলম মনির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আজ রোববার দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। একই সঙ্গে বাসচালক সোহেল রানার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বনানী থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম তালুকদার আসামিদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড ও বাসচালকের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সাজু ও মনির স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করতে সম্মত হওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোরে ইসমাইল হোসেন জামালপুর থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সে সময় তার সাথে জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও খাদ্যদ্রব্য ছিল। গাজীপুরের জিরানী বাসস্ট্যান্ডে স্বজনরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও তার ফোন বন্ধ পান। পরবর্তীতে দুপুরে বনানী থানা পুলিশ পরিবারের সদস্যদের জানায়, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী স্থান থেকে ইসমাইলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতের শরীরে জখমের চিহ্ন এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল। তবে তার সাথে থাকা নগদ টাকা ও মালামাল পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।