রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী-কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান ও সমর্থক এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং কয়েকজন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আগামী ১৬ আগস্ট। প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে সাংবাদিকদের বলেন, “প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন হোক, এটা আমরা চাই না। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্যই আমরা এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি।”
অলি আহমেদকে জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী দাবি করে তিনি বলেন, তিনি খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, তিনবারের মন্ত্রী ও ছয়বারের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী এবং দেশের জন্য দীর্ঘদিন অবদান রেখেছেন।
হামিদুর রহমান বলেন, তাদের জোটের প্রার্থী জয়ী হবেন কি না, সেটি মূল বিষয় নয়; বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়াটাই তারা চান।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ সীমিত। গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে রায় এলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তিনি বিএনপির সমালোচনা করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় বৃহস্পতিবার। মনোনয়নপত্র যাচাই হবে ১৬ আগস্ট, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট এবং ভোট হবে ২০ আগস্ট।