বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের জ্বালানি সংকটের পেছনে গভীর চক্রান্ত রয়েছে এবং সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই সরকার জনকল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারা বজায় রেখেছে। তিনি আরও জানান, গ্যাসের চাপ বেড়েছে এবং লোডশেডিং অনেক কমে গেছে। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনালের যে ত্রুটি হয়েছিল সেটা সম্পূর্ণরূপে গতকাল সারাই করা হয়েছে, ঠিক হয়ে গেছে। এছাড়া, এলএনজি ভর্তি কার্গো ইতিমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং সরবরাহ চলছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের যে চাপ কমে গিয়েছিল, তা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে।” গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির পাশাপাশি লোডশেডিংও কমেছে বলে জানান তিনি।
সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ ও আন্তরিকতার কারণে লোডশেডিং এবং গ্যাসের চাপ-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, “বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল, সেটি কিন্তু সরকারের কোনো ব্যর্থতা বা এ-সংক্রান্ত কারণে হয়নি। এটি দেশের মানুষ যেমন দেখেছে, আপনারাও তেমনি দেখেছেন। তবে এর পেছনে যে চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র নেই, তা কিন্তু নয়। অবশ্যই গভীর চক্রান্ত রয়েছে। বর্তমান সরকার সেই চক্রান্তগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই এই সরকার জনকল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারা বজায় রেখেছে। আমরা আশা করি, আগামীতেও উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”
সরকারের ভাবমূর্তি তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, “বর্তমান সরকার একটি জনকল্যাণমুখী ও সামাজিক সুরক্ষাবান্ধব সরকার। অতীতে ফ্যাসিস্ট আমলে মেগা প্রজেক্টের নামে যে ভয়াবহ মেগা দুর্নীতি হয়েছে, সেখান থেকে বের হয়ে বর্তমান সরকার দুর্নীতিমুক্ত পরিকাঠামো গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।”