ads

তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হচ্ছে খামেনির কফিন

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হচ্ছে খামেনির কফিন
ছবি: রয়টার্স

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন আজ সোমবার রাজধানী তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হবে। গতকাল রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের ভেতরে লাখো ইরানি আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন ঘিরে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারকে শেষ বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন।

আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের নেতৃত্বের কাছে এই অনুষ্ঠানগুলো শুধু শোক প্রকাশের আয়োজন নয়, বরং এর চেয়েও বেশি কিছু। প্রায় চার দশক ধরে ইরানকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতার হত্যাকাণ্ডের পর তার প্রতি নাগরিকদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে এসব আয়োজনে। এর মাধ্যমে ইরান বার্তা দিতে চেয়েছে যে খামেনি নিহত হলেও তার গড়ে তোলা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অক্ষত রয়েছে এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া কোনো বাধা ছাড়াই এগিয়ে চলছে।

খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।

এর জবাবে ইরান বলেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনারা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন। কিন্তু আসলে একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙেছেন, যার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব আপনি বুঝবেন না। কারণ, আপনাদের সভ্যতা, ইতিহাস কিংবা সম্মান–কোনোটিই নেই।”

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে দেড় থেকে দুই কোটি সমর্থক জড়ো করতে সরকার পরিবহন, আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করেছে তেহরান।

আজ জনসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনির কফিন তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হবে। এরপর ৭ জুলাই তার মরদেহ কোমে নেওয়া হবে। ৮ জুলাই মরদেহ ইরাকের কারবালা ও নজফ শহরে নেওয়া হবে। সবশেষে ৯ জুলাই মরদেহ ইরানের মাশহাদ শহরে নেওয়া হবে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।

সম্পর্কিত